![]() |
| জি৭-এর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি,
ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান ও ইতালিতে নিয়ে গঠিত এ গোষ্ঠী বুধবার এক বিবৃতি এ
হুমকি দিয়েছে। জি৭ বলেছে, রাশিয়াকে হয় ইউক্রেনকে ‘অস্থিতিশীল’ করার তৎপরতা
বন্ধ অথবা আরো বেশি নিষেধাজ্ঞার মধ্য থেকে একটিকে বেছে নিতে হবে। ব্রাসেলসে
জি৭-এর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পূর্ব
ইউক্রেনকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা অগ্রহণযোগ্য এবং তা অবশ্যই বন্ধ করতে
হবে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “আমরা
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে সামনে রেখে নিষেধাজ্ঞা আরো বাড়াতে প্রস্তুত
রয়েছি। প্রয়োজন হলে রাশিয়ার ওপর আরো বেশি অবরোধ আরোপ করা হবে যাতে মস্কোকে
আরো বেশি মূল্য দিতে হয়।”
গত ১৬ মার্চ ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপত্যকায়
অনুষ্ঠিত গণভোটের জের ধরে এ প্রজাতন্ত্র রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পর পাশ্চাত্যের
সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কে তীব্র টানাপড়েন তৈরি হয়। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন
অভিযোগ করে, রাশিয়া ইউক্রেনকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা এ পর্যন্ত
রাশিয়ার বহু শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার সম্পদ ও ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ
করেছে। সেইসঙ্গে শিল্পোন্নত আট জাতির জোট জি৮ থেকে রাশিয়াকে বহিস্কার করে।
ব্রাসেলসে বুধবার অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকটি রাশিয়ার সোচিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার
কথা ছিল এবং পরিকল্পিত সে বৈঠকের অন্যতম সদস্য ছিল রাশিয়া।
এদিকে ইউক্রেন সংক্রান্ত পাশ্চাত্যের
অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে রাশিয়া বলেছে, ইউক্রেনের পাশ্চাত্যপন্থী সরকারের
তাবেদার ভূমিকার বিরুদ্ধে সেদেশের রুশপন্থিরা স্বতস্ফূর্তভাবে রুখে
দাঁড়িয়েছে এবং তাদের ওপর মস্কোর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
(রেডিও তেহরান)





