শিরনাম



Bangla News bangladesh news Bengali News Bangla NewsPaper bangladesh newspaper Paper Bengali NewsPaper Bangla bengali newspaper Online Bangla News bangla news bd newspaper bangladesh newspapers bangla news paper bangladeshi newspaper news paper bangladesh daily newspapers of bangladesh current news bengali daily newspaper daily bangla newspaperdaily news bangladesh news dhaka news world news national news bangladesh media bangladesh sports bangladesh politics bangladesh business bangla khobor bangla potrika.

human-rights news Bangla News Bangladesh News Bengali News Bangla NewsPaper bangladesh Newspaper Paper, Bengali NewsPaper,bangla newspaper , Online Bangla News. bd all bangla newspaper, bangladesh newspaper bangla news paper bangladeshi newspaper news paper bangladesh, daily newspapers of bangladesh current news bengali bangladesh daily newspaper daily newspaper,daily news,dhaka news.

world news national news bangladesh bangla papermedia bangladesh sports bangladesh politics bangladesh business all bangla news bangla khobor,bangla potrika,human-rights news, bangla bangladesh prothom alo bangladesh newspaper bangla newspaper bangla news bdnews24 bangladesh news bd news bangla news paper bdnews24 bangla all bangla newspaper bd newspaper bangladeshi newspaper bangladesh newspapers bangladesh news paper banglanews bd news 24 anglanews24 bdnews bengali newspaper newspaper bangladesh all bangla news bangladesh daily newspaper daily bangla news paper bangla paper.

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ




বাংলা নিউজ ডেস্ক:
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিক্ষোভ সমাবেশে মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ আবু জাফর সিদ্দিকী (রিপন) ও বগুড়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা নুরুন্নবী সরকার।

বাংলাদেশের সকল থানার ওসিদের সরকারি মোবাইল নাম্বার


বাংলা নিউজ ডেস্ক:

ডিএমপি, ঢাকা

১। ওসি রমনা- ০১৭১৩৩৭৩১২৫
২। ওসি ধানমন্ডি- ০১৭১৩৩৭৩১২৬
৩। ওসি শাহাবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১২৭
৪। ওসি নিউ মার্কেট- ০১৭১৩৩৭৩১২৮
৫। ওসি লালবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৪
৬। ওসি কোতয়ালী- ০১৭১৩৩৭৩১৩৫
৭। ওসি হাজারীবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৬
৮। ওসি কামরাঙ্গীরচর- ০১৭১৩৩৭৩১৩৭
৯। ওসি সুত্রাপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৩
১০। ওসি ডেমরা- ০১৭১৩৩৭৩১৪৪
১১। ওসি শ্যামপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৫
১২। ওসি যাত্রাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩১৪৬
১৩। ওসি মতিঝিল- ০১৭১৩৩৭৩১৫২
১৪। ওসি সবুজবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৫৩
১৫। ওসি খিলগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৫৪
১৬। ওসি পল্টন- ০১৭১৩৩৭৩১৫৫
১৭। ওসি উত্তরা- ০১৭১৩৩৭৩১৬১
১৮। ওসি এয়ারপোর্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৬২
১৯। ওসি তুরাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৬৩
২০। ওসি উত্তরখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৪
২১। ওসি দক্ষিনখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৫
২২। ওসি গুলশান- ০১৭১৩৩৭৩১৭১
২৩। ওসি ক্যান্টনমেন্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৭২
২৪। ওসি বাড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩১৭৩
২৫। ওসি খিলক্ষেত- ০১৭১৩৩৭৩১৭৪
২৬। ওসি তেজগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৮০
২৭। ওসি তেজগাও শি/এ- ০১৭১৩৩৭৩১৮১
২৮। ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮২
২৯। ওসি আদাবর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৩
৩০। ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৯
৩১। ওসি পল্লবী- ০১৭১৩৩৭৩১৯০
৩২। ওসি কাফরুল- ০১৭১৩৩৭৩১৯১
৩৩। ওসি শাহ আলী- ০১৭১৩৩৭৩১৯২
সিএমপি, চট্রগ্রাম
১। ওসি কোতয়ালী, সিএমপি- ০১৭১৩৩৭৩২৫৬
২। ওসি পাহাড়তলী (নর্থ জোন)- ০১৭১৩৩৭৩২৫৭
৩। ওসি পাচলাইশ- ০১৭১৩৩৭৩২৫৮
৪। ওসি চান্দগাও- ০১৭১৩৩৭৩২৫৯
৫। ওসি খুলসী- ০১৭১৩৩৭৩২৬০
৬। ওসি বাকুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩২৬১
৭। ওসি ওসি বায়েজিদ বোস্তামী- ০১৭১৩৩৭৩২৬২
৮। ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৭
৯। ওসি ডাবল মুরিং- ০১৭১৩৩৭৩২৬৮
১০। ওসি হালিশহর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৯
১১। ওসি পতেঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৭০
১২। ওসি কর্ণফুলি- ০১৭১৩৩৭৩২৭১
১৩। ওসি ইমিগ্রেশন (বন্দর)- ০১৭১৩৩৭৩২৭২
১৪। ওসি পাহাড়তলী (বন্দর জোন)- ০১৭১৩৩৭৩২৭৩
কেএমপি, খুলনা
১। ওসি খুলনা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৫
২। ওসি সোনাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৬
৩। ওসি খালিশপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৭
৪। ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৮
৫। ওসি খানজাহান আলী- ০১৭১৩৩৭৩২৮৯
আরএমপি, রাজশাহী
১। ওসি বোয়ালিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩০৯
২। ওসি রাজপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৩১০
৩। ওসি মতিহার- ০১৭১৩৩৭৩৩১১
৪। ওসি শাহ মাকদুম- ০১৭১৩৩৭৩৩১২
ঢাকা বিভাগ
১। ওসি সাভার- ০১৭১৩৩৭৩৩২৭
২। ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৩২৮
৩। ওসি কেরানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩২৯
৪। ওসি নবাবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৩০
৫। ওসি দোহার- ০১৭১৩৩৭৩৩৩১
৬। ওসি আশুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৩২
৭। ওসি দক্ষিন কেরানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৩৩
৮। ওসি নারায়নগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৫
৯। ওসি ফতুল্লা- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৬
১০। ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৭
১১। ওসি সিদ্দিরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৮
১২। ওসি আড়াইহাজার- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৯
১৩। ওসি সোনারগাও- ০১৭১৩৩৭৩৩৫০
১৪। ওসি রুপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৫১
১৫। ওসি জয়দেবপুর ০১৭১৩৩৭৩৩৬৩
১৬। ওসি টংগী- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৪
১৭। ওসি কালিয়াকৈর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৫
১৮। ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৬
১৯। ওসি কাপাসিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৭
২০। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৮
২১। ওসি মানিকগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৭৯
২২। ওসি ঘিওর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮০
২৩। ওসি শিবালয়- ০১৭১৩৩৭৩৩৮১
২৪। ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮২
২৫। ওসি হরিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৩
২৬। ওসি সাটুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৪
২৭। ওসি সিংগাইর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৫
২৮। ওসি মুন্সীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৬
২৯। ওসি টংগীবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৭
৩০। ওসি লৌহজং- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৮
৩১। ওসি শ্রীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৯
৩২। ওসি সিরাজদীখান- ০১৭১৩৩৭৩৪০০
৩৩। ওসি গজারিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪০১
৩৪। ওসি নরসিংদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১২
৩৫। ওসি রায়পুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৩
৩৬। ওসি শিবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৪
৩৭। ওসি বেলাবো- ০১৭১৩৩৭৩৪১৫
৩৮। ওসি মনোহরদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১৬
৩৯। ওসি পলাশ- ০১৭১৩৩৭৩৪১৭
৪০। ওসি কোতয়ালী মযমনসিংহ- ০১৭১৩৩৭৩৪৩০
৪১। ওসি মুক্তাগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩১
৪২। ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৩২
৪৩। ওসি ত্রিশাল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৩
৪৪। ওসি গৌরীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৪
৪৫। ওসি ঈশ্বরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৫
৪৬। ওসি নান্দাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৬
৪৭। ওসি ফুলপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৭
৪৮। ওসি হালুয়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৮
৪৯। ওসি ধোবাউরা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৯
৫০। ওসি গফরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৪৪০
৫১। ওসি ভালুকা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪১
৫২। ওসি তারাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪২
৫৩। ওসি টাঙ্গাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৪
৫৪। ওসি মির্জাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৫
৫৫। ওসি নাগরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৬
৫৬। ওসি সখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৭
৫৭। ওসি বাসাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৮
৫৮। ওসি দেলদুয়ার- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৯
৫৯। ওসি মধুপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬০
৬০। ওসি ঘাটাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৬১
৬১। ওসি কালিহাতি- ০১৭১৩৩৭৩৪৬২
৬২। ওসি ভুয়াপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৩
৬৩। ওসি ওসি যমুনা ব্রীজ পূর্ব- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৪
৬৪। ওসি ধনবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৫
৬৫। ওসি গোপালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৬
৬৬। ওসি কিশোরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮০
৬৭। ওসি করিমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮১
৬৮। ওসি তারাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৮২
৬৯। ওসি হোসেনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৩
৭০। ওসি কটিয়াদী- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৪
৭১। ওসি বাজিতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৫
৭২। ওসি কুলিয়ারচর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৬
৭৩। ওসি ভৈরব- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৭
৭৪। ওসি ইটনা- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৮
৭৫। ওসি মিঠামইন- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৯
৭৬। ওসি নিকলী- ০১৭১৩৩৭৩৪৯০
৭৭। ওসি পাকুন্দিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪৯১
৭৮। ওসি অষ্টগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৪৯২
৭৯। ওসি নেত্রকোনা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৫
৮০। ওসি বারহাট্টা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৬
৮১। ওসি কলমাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৭
৮২। ওসি আটপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫০৮
৮৩। ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫০৯
৮৪। ওসি পূর্বধলা- ০১৭১৩৩৭৩৫১০
৮৫। ওসি কেন্দুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৫১১
৮৬। ওসি মদন- ০১৭১৩৩৭৩৫১২
৮৭। ওসি মোহনগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫১৩
৮৮। ওসি খালিজুরি- ০১৭১৩৩৭৩৫১৪
৮৯। ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫২৩
৯০। ওসি নকলা- ০১৭১৩৩৭৩৫২৪
৯১। ওসি নলিতাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৫
৯২। ওসি শ্রীবর্দী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৬
৯৩। ওসি ঝিনাইগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৫২৭
৯৪। ওসি জামালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৮
৯৫। ওসি মেলান্দহ- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৯
৯৬। ওসি সরিষাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৪০
৯৭। ওসি দেওয়ানগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪১
৯৮। ওসি ইসলামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৪২
৯৯। ওসি মাদারগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৩
১০০। ওসি বকশীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৪
১০১। ওসি বাহাদুরাবাদ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৫
১০২। ওসি কোতয়ালী ফরিদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৬
১০৩। ওসি মধুখালী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৭
১০৪। ওসি বোয়ালমারী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৮
১০৫। ওসি আলফাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৯
১০৬। ওসি চরভদ্রাসন- ০১৭১৩৩৭৩৫৬০
১০৭। ওসি নগরকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬১
১০৮। ওসি সদরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৬২
১০৯। ওসি সালতা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৩
১১০। ওসি ভাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৪
১১১। ওসি গোপালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৭২
১১২। ওসি মকসুদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৩
১১৩। ওসি কাশিয়ানী- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৪
১১৪। ওসি কোটালীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৫
১১৫। ওসি টুঙ্গিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৬
১১৬। ওসি মাদারীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৫
১১৭। ওসি রাজৈর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৬
১১৮। ওসি কালকিনি- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৭
১১৯। ওসি শিবচর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৮
১২০। ওসি রাজবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৯৮
১২১। ওসি বালিয়াকান্দি- ০১৭১৩৩৭৩৫৯৯
১২২। ওসি পাংশা- ০১৭১৩৩৭৩৬০০
১২৩। ওসি গোয়ালন্দ- ০১৭১৩৩৭৩৬০১
১২৪। ওসি গোসাইরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৬১২
১২৫। ওসি ভেদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬১৩
১২৬। ওসি ডামুড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৪
১২৭। ওসি জাজিরা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৫
১২৮। ওসি নড়িয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬১৬
১২৯। ওসি পালং- ০১৭১৩৩৭৩৬১৭
১৩০। ওসি শখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৬১৮
চট্রগ্রাম বিভাগ
১। ওসি রাউজান- ০১৭১৩৩৭৩৬৩৯
২। ওসি হাটহাজারী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪০
৩। ওসি ফটিকছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৬৪১
৪। ওসি রাংগুনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪২
৫। ওসি পটিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৩
৬। ওসি মীরসরাই- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৪
৭। ওসি সীতাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৫
৮। ওসি আনোয়ারা- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৬
৯। ওসি বোয়ালখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৭
১০। ওসি বাশখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৮
১১। ওসি সাতকানিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৯
১২। ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৫০
১৩। ওসি চান্দনাইশ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫১
১৪। ওসি সন্দীপ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫২
১৫। ওসি কক্সবাজার- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৩
১৬। ওসি রামু- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৪
১৭। ওসি উখিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৫
১৮। ওসি টেকনাফ- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৬
১৯। ওসি চকোরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৭
২০। ওসি কুতুবদিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৮
২১। ওসি মহেষখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৯
২২। ওসি পেকুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৭০
২৩। ওসি কোতয়ালী কুমিল্লা- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৫
২৪। ওসি চৌদ্দগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৬
২৫। ওসি দেবীদ্দার- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৭
২৬। ওসি হোমনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৮
২৭। ওসি লাকসাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৯
২৮। ওসি দাউদকান্দি- ০১৭১৩৩৭৩৬৯০
২৯। ওসি বুড়িচং- ০১৭১৩৩৭৩৬৯১
৩০। ওসি চান্দিনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯২
৩২। ওসি বরুরা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৩
৩৩। ওসি লাঙ্গলকোট- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৪
৩৪। ওসি মুরাদনগর- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৫
৩৫। ওসি ব্রাক্ষ্মনপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৬
৩৬। ওসি মেঘনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৭
৩৭। ওসি মনোহরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৮
৩৮। ওসি তিতাস- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৯
৩৯। ওসি সদর দক্ষিন কুমিল্লা- ০১৭১৩৩৭৩৭০০
৪০। ওসি চাদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭১২
৪১। ওসি হাজীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৩
৪২। ওসি মতলব- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৩। ওসি মতলব উত্তর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৪। ওসি মতলব দক্ষিন- ০১৭১৩৩৭৩৭১৫
৪৫। ওসি শাহারাস্তি- ০১৭১৩৩৭৩৭১৬
৪৬। ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭১৭
৪৭। ওসি ফরিদগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৮
৪৮। ওসি হাইমচর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৯
৪৯। ওসি ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া সদর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩০
৫০। ওসি সরাইল- ০১৭১৩৩৭৩৭৩১
৫১। ওসি আশুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৩২
৫২। ওসি নাসিরনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৩
৫৩। ওসি নবীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৪
৫৪। ওসি বাঞ্ছারামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৫
৫৫। ওসি কসবা- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৬
৫৬। ওসি আখাউড়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৭
৫৭। ওসি সুধারাম, নোয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৩৭৪৮
৫৮। ওসি বেগমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৪৯
৫৯। ওসি সেনবাগ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫০
৬০। ওসি সোনাইমুরি- ০১৭১৩৩৭৩৭৫১
৬১। ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫২
৬২। ওসি চাটখিল- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৩
৬৩। ওসি হাতিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৪
৬৪। ওসি চরজব্বার- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৫
৬৫। ওসি লক্ষীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৫
৬৬। ওসি রায়পুরা- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৬
৬৭। ওসি রামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৭
৬৮। ওসি রামগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৮
৬৯। ওসি ফেনী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৮
৭০। ওসি সোনাগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৯
৭১। ওসি ফুলগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৮০
৭২। ওসি পরশুরাম- ০১৭১৩৩৭৩৭৮১
৭৩। ওসি ছাগলনাইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮২
৭৪। ওসি দাগনভুইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮৩
রাজশাহী বিভাগ
১। ওসি পবা- ০১৭১৩৩৭৩৮০০
২। ওসি গুদাগাড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮০১
৩। ওসি তানর- ০১৭১৩৩৭৩৮০২
৪। ওসি মোহনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৩
৫। ওসি পুঠিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮০৪
৬। ওসি বাগমারা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৫
৭। ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৬
৮। ওসি চারঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৮০৭
৯। ওসি বাঘা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৮
১০। ওসি চাপাই নবাবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮১৯
১১। ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮২০
১২। ওসি গোমস্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮২১
১৩। ওসি নাচোল- ০১৭১৩৩৭৩৮২২
১৪। ওসি ভোলাহাট- ০১৭১৩৩৭৩৮২৩
১৫। ওসি নওগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৬
১৬। ওসি রায়নগর- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৭
১৭। ওসি আত্রাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৮
১৮। ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৯
১৯। ওসি বাদলগাছি- ০১৭১৩৩৭৩৮৪০
২০। ওসি মহাদেবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪১
২১। ওসি পাটনীতলা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪২
২২। ওসি নিয়ামতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৩
২৩। ওসি মান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৪
২৪। ওসি সাপাহার- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৫
২৫। ওসি পর্শা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৬
২৬। ওসি নাটোর- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৭
২৭। ওসি সিংড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৮
২৮। ওসি বাঘাতিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৯
২৯। ওসি গুরুদাসপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬০
৩০। ওসি লালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬১
৩১। ওসি বরইগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৮৬২
৩২। ওসি নলডাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৬৩
৩৩। ওসি কোতয়ালী, রংপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৪
৩৪। ওসি গঙ্গাচুড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৫
৩৫। ওসি ভোদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৬
৩৬। ওসি তারাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৭
৩৭। ওসি মিঠাপুকুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৮
৩৮। ওসি পীরগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৯
৩৯। ওসি কাউনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৮০
৪০। ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৮১
৪১। ওসি গাইবান্ধা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯২
৪২। ওসি সাদুল্লাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৩
৪৩। ওসি সুন্দরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৪
৪৫। ওসি পলাশবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৫
৪৬। ওসি গোবিন্দগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৬
৪৭। ওসি সাতঘাটা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৭
৪৮। ওসি ফুলছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৮
৪৯। ওসি নিলফামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯০৯
৫০। ওসি সৈয়দপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯১০
৫১। ওসি জলঢাকা- ০১৭১৩৩৭৩৯১১
৫২। ওসি কিশোরগঞ্জ (নিলফামারী)- ০১৭১৩৩৭৩৯১২
৫৩। ওসি ডোমার- ০১৭১৩৩৭৩৯১৩
৫৪। ওসি ডিমলা- ০১৭১৩৩৭৩৯১৪
৫৪। ওসি সৈয়দপুর পুলিশ ফাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯১৫
৫৫। ওসি কুড়িগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯২৬
৫৬। ওসি রাজারহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯২৭
৫৭। ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯২৮
৫৮। ওসি নাগেশ্বর- ০১৭১৩৩৭৩৯২৯
৫৯। ওসি বুরুঙ্গামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩০
৬০। ওসি উলিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩১
৬১। ওসি চিলমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩২
৬২। ওসি রৌমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৩
৬৩। ওসি রাজীবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৪
৬৪। ওসি দুসমারা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৫
৬৫। ওসি কোচাকাটা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৬
৬৬। ওসি লালমনিরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৬
৬৭। ওসি আদিতমারি- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৭
৬৮। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৮
৬৯। ওসি হাতিবান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৯
৭০। ওসি পাটগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯৫০
৭১। ওসি কোতয়ালী দিনাজপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৩
৭২। ওসি চিরির বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৪
৭৩। ওসি রিরল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৫
৭৪। ওসি পার্বতীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৬
৭৫। ওসি বীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৭
৭৬। ওসি বোছাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৮
৭৭। ওসি কাহারোল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৯
৭৮। ওসি খানসামা- ০১৭১৩৩৭৩৯৭০
৭৯। ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯৭১
৮০। ওসি বিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭২
৮২। ওসি নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)-০১৭১৩৩৭৩৯৭৩
৮৩। ওসি ঘোড়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৪
৮৪। ওসি হাকিমপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৫
৮৫। ওসি ঠাকুরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৫
৮৬। ওসি বালিয়াডাঙ্গী- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৬
৮৭। ওসি রানীসঙ্কৌল- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৭
৮৮। ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৮
৮৯। ওসি হরিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৯
৯০। ওসি পঞ্চগড়- ০১৭১৩৩৭৩৯৯৯
৯১। ওসি বোদা- ০১৭১৩৩৭৪০০০
৯২। ওসি আটোয়ারী- ০১৭১৩৩৭৪০০১
৯৩। ওসি তেতুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০০২
৯৪। ওসি দেবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০০৩
৯৫। ওসি পাবনা- ০১৭১৩৩৭৪০১৬
৯৬। ওসি ঈশ্বরদী- ০১৭১৩৩৭৪০১৭
৯৭। ওসি আটঘরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০১৮
৯৮। ওসি চাটমোহর- ০১৭১৩৩৭৪০১৯
৯৯। ওসি ভঙ্গোরা- ০১৭১৩৩৭৪০২০
১০০। ওসি ফরিদপুর (পাবনা)- ০১৭১৩৩৭৪০২১
১০১। ওসি সূর্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪০২২
১০২। ওসি বেড়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৩
১০৩। ওসি সাথিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৪
১০৪। ওসি আতাইকুলা- ০১৭১৩৩৭৪০২৫
১০৫। ওসি সিরাজগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৩৮
১০৬। ওসি শাহাজাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৩৯
১০৭। ওসি উল্লাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৪০
১০৮। ওসি চৌহালী- ০১৭১৩৩৭৪০৪১
১০৯। ওসি তারাস- ০১৭১৩৩৭৪০৪২
১১০। ওসি কাজিপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৩
১১১। ওসি কামারকান্দা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৪
১১২। ওসি রায়গঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৪৫
১১৩। ওসি বেলকুচি- ০১৭১৩৩৭৪০৪৬
১১৪। ওসি যমুনা ব্রীজ পশ্চিম- ০১৭১৩৩৭৪০৪৭
১১৫। ওসি সালাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৮
১১৬। ওসি এনায়েতপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৯
১১৭। ওসি বগুড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬১
১১৮। ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৬২
১১৯। ওসি সোনাতলা- ০১৭১৩৩৭৪০৬৩
১২০। ওসি গাবতলী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৪
১২১। ওসি সারিয়াকান্দি- ০১৭১৩৩৭৪০৬৫
১২২। ওসি আদমদিঘী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৬
১২৩। ওসি ধুপচাচিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬৭
১২৪। ওসি কাহালু- ০১৭১৩৩৭৪০৬৮
১২৫। ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৬৯
১২৬। ওসি ধুনট- ০১৭১৩৩৭৪০৭০
১২৭। ওসি নন্দিগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৪০৭১
১২৮। ওসি শাহজাহানপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৭২
১২৯। ওসি জয়পুরহাট- ০১৭১৩৩৭৪০৮২
১৩০। ওসি কালাই- ০১৭১৩৩৭৪০৮৩
১৩১। ওসি ক্ষেতলাল- ০১৭১৩৩৭৪০৮৪
১৩২। ওসি আক্কেলপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৮৫
১৩৩। ওসি পাচবিবি- ০১৭১৩৩৭৪০৮৬
খুলনা বিভাগ
১। ওসি ফুলতলা- ০১৭১৩৩৭৪১০৩
২। ওসি দিঘলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৪
৩। ওসি পাইকগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১০৫
৪। ওসি বটিয়াঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১০৬
৫। ওসি ডুমুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৭
৬। ওসি তেরখাদা- ০১৭১৩৩৭৪১০৮
৭। ওসি রুপসা- ০১৭১৩৩৭৪১০৯
৮। ওসি দাকোপ- ০১৭১৩৩৭৪১১০
৯। ওসি কয়রা- ০১৭১৩৩৭৪১১১
১০। ওসি বাগেরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২২
১১। ওসি ফকিরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৩
১২। ওসি মোল্লারহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৪
১৩। ওসি চিতলমারী- ০১৭১৩৩৭৪১২৫
১৪। ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৪১২৬
১৫। ওসি মোরলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১২৭
১৬। ওসি শরনখোলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৮
১৭। ওসি মংলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৯
১৮। ওসি রামপাল- ০১৭১৩৩৭৪১৩০
১৯। ওসি সাতক্ষীরা- ০১৭১৩৩৭৪১৪১
২০। ওসি কলারোয়া- ০১৭১৩৩৭৪১৪২
২১। ওসি তালা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৩
২২। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৪৪
২৩। ওসি শ্যামনগর- ০১৭১৩৩৭৪১৪৫
২৪। ওসি দেবহাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৬
২৫। ওসি আশাশুনি- ০১৭১৩৩৭৪১৪৭
২৬। ওসি পাটকেলঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৮
২৭। ওসি কোতয়ালী যশোর- ০১৭১৩৩৭৪১৬১
২৮। ওসি ঝিকরগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬২
২৯। ওসি শার্শা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৩
৩০। ওসি চৌগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৪
৩১। ওসি মনিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৫
৩২। ওসি কেশবপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৬
৩৩। ওসি অভয়নগর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৭
৩৪। ওসি বাঘারপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪১৬৮
৩৫। ওসি বেনাপোল পোর্ট- ০১৭১৩৩৭৪১৬৯
৩৬। ওসি বেনাপোল চেক পোষ্ট- ০১৭১৩৩৭৪১৭০
৩৭। ওসি মাগুরা- ০১৭১৩৩৭৪১৭৯
৩৮। ওসি শালিখা- ০১৭১৩৩৭৪১৮০
৩৯। ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮১
৪০। ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮২
৪১। ওসি ঝিনাইদহ- ০১৭১৩৩৭৪১৯২
৪২। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৯৩
৪৩। ওসি শৈলকুপা- ০১৭১৩৩৭৪১৯৪
৪৪। ওসি হরিনাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৪১৯৫
৪৫। ওসি কোটচাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৬
৪৬। ওসি মহেশপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৭
৪৭। ওসি নড়াইল- ০১৭১৩৩৭৪২০৬
৪৮। ওসি কালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৭
৪৯। ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৮
৫০। ওসি নড়াগাতি- ০১৭১৩৩৭৪২০৯
৫১। ওসি কুষ্টিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২২০
৫২। ওসি খোকসা- ০১৭১৩৩৭৪২২১
৫৩। ওসি কুমারখালী- ০১৭১৩৩৭৪২২২
৫৪। ওসি ভেড়ামারা- ০১৭১৩৩৭৪২২৩
৫৫। ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৪
৫৬। ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৫
৫৭। ওসি ইসলামী ইউনিভার্সিটি- ০১৭১৩৩৭৪২২৬
৫৮। ওসি চুয়াডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৬
৫৯। ওসি আলমডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৭
৬০। ওসি জীবননগর- ০১৭১৩৩৭৪২৩৮
৬১। ওসি ডামুরহুদা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৯
৬২। ওসি মেহেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৪৯
৬৩। ওসি গাংনী- ০১৭১৩৩৭৪২৫০
৬৪। ওসি মুজিবনগর- ০১৭১৩৩৭৪২৫১
বরিশাল বিভাগ
১। ওসি কোতয়ালী বরিশাল- ০১৭১৩৩৭৪২৬৭
২। ওসি হিজলা- ০১৭১৩৩৭৪২৬৮
৩। ওসি মেহেদীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৬৯
৪। ওসি মুলাদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭০
৫। ওসি বাবুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭১
৬। ওসি বাকেরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭২
৭। ওসি বানারীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৩
৮। ওসি আগৌলঝাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৪
৯। ওসি গৌরনদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭৫
১০। ওসি উজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৭৬
১১। ওসি ঝালকাঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৬
১২। ওসি নলছিঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৭
১৩। ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৮৮
১৪। ওসি কাঠালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২৮৯
১৫। ওসি ভোলা- ০১৭১৩৩৭৪৩০০
১৬। ওসি দৌলতখান- ০১৭১৩৩৭৪৩০১
১৭। ওসি তজুমুদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০২
১৮। ওসি বোরহানউদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৩
১৯। ওসি লালমোহন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৪
২০। ওসি চরফ্যাশন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৫
২১। ওসি মনপুরা- ০১৭১৩৩৭৪৩০৬
২২। ওসি পটুয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩১৮
২৩। ওসি বাউফল- ০১৭১৩৩৭৪৩১৯
২৪। ওসি গলাচিপা- ০১৭১৩৩৭৪৩২০
২৫। ওসি দশমিনা- ০১৭১৩৩৭৪৩২১
২৬। ওসি দুমকী- ০১৭১৩৩৭৪৩২২
২৭। ওসি কলাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪৩২৩
২৮। ওসি মির্জাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩২৪
২৯। ওসি রাঙ্গাবালি- ০১৭১৩৩৭৪৩২৫
৩০। ওসি পিরোজপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৬
৩১। ওসি ভান্ডারিয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৭
৩২। ওসি নেসারাবাদ- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৮
৩৩। ওসি কাউখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৯
৩৪। ওসি নাজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪০
৩৫। ওসি জিয়া নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪১
৩৬। ওসি মঠবাড়ীয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৪২
৩৭। ওসি বরগুনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৩
৩৮। ওসি আমতলী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৪
৩৯। ওসি পাথরঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৫
৪০। ওসি বেতাগী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৬
৪১। ওসি বামনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৭
৪২। ওসি তালতলি- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৮
সিলেট বিভাগ
১। ওসি কোতয়ালী (সিলেট)- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৫
২। ওসি বালাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৬
৩। ওসি জৈন্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৭
৪। ওসি গোয়াইনঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮
৫। ওসি কানাইঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৯
৬। ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮০
৭। ওসি জকিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮১
৮। ওসি বিয়ানীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৩৮২
৯। ওসি গোলাপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৩
১০। ওসি বিশ্বনাথ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৪
১১। ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৫
১২। ওসি দক্ষিন সুরমা- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৬
১৩। ওসি ওসমানী নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭
১৪। ওসি হবিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮
১৫। ওসি মাধবপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৯
১৬। ওসি চুনারুঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৪০০
১৭। ওসি বাহুবল- ০১৭১৩৩৭৪৪০১
১৮। ওসি লাখাই- ০১৭১৩৩৭৪৪০২
১৯। ওসি নবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৩
২০। ওসি বানিয়াচং- ০১৭১৩৩৭৪৪০৪
২১। ওসি আজমিরিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৫
২২। ওসি শায়েস্তাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৬
২৩। ওসি সুনামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪১৮
২৪। ওসি ছাতক- ০১৭১৩৩৭৪৪১৯
২৫। ওসি জগন্নাথপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২০
২৬। ওসি তাহিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২১
২৭। ওসি বিশ্বম্বরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২২
২৮। ওসি দোয়ারাবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৪২৩
২৯। ওসি দিরাই- ০১৭১৩৩৭৪৪২৪
৩০। ওসি সালনা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৫
৩১। ওসি জামালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪২৬
৩২। ওসি ধর্মপাশা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৭
৩৩। ওসি মধ্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪২৮
৩৪। ওসি মৌলভীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৪৩৯
৩৫। ওসি শ্রীমঙ্গল- ০১৭১৩৩৭৪৪৪০
৩৬। ওসি কমলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪৪১
৩৭। ওসি রাজনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪৪২
৩৮। ওসি কুলাউড়া- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৩
৩৯। ওসি বড়লেখা- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৪
৪০। ওসি জুরি- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৫

হিমাগারে ১০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা, বগুড়ায় আলুর কেজি দেড় টাকা!

 
বাংলা নিউজ ডেস্ক:
বগুড়ায় আলুর বাজারে ব্যাপক ধস নেমেছে। ৮৪ কেজির এক বস্তা আলুর দাম ১০০ টাকা। তার পরও গ্রাহক পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে মজুদ করা আলু হিমাগার থেকে তুলছে ব্যবসায়ী কিংবা কৃষকরা। এতে বগুড়ার ৩৩ হিমাগারে ১০০ কোটি টাকার লোকসানের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১৬-১৭ মৌসুমে বগুড়া অঞ্চলে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছিল। ভালো দামের আশায় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ আলু কিনে মজুদ করে রেখেছিল।

একটি জরিপে দেখা গেছ, গত ৩ মৌসুমে এই উত্তরাঞ্চলে আলুর ভালো ফলনের পাশাপাশি বছর জুড়ে দামও ছিল ভালো। মৌসুমের শুরুতে তুলনামূলক কম দামে আলু কিনে পরে বেশি দামে বিক্রি করেছেন মজুদদাররা।

ভালো লাভের ধারাবাহিকতায় গেল মৌসুমেও উৎপাদিত আলুর বেশির ভাগ জমা পড়ে হিমাগারে। এতে আগের মৌসুম শেষ হয়ে নতুন মৌসুম শুরুর আগেই সবাই একযোগে আলু বাজারজাত করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে। হঠাৎ করেই আলুর দাম তলানিতে নেমে যায়। ১ টাকা থেকে দেড় টাকা কেজিতে নেমে আসে আলুর দাম।

বগুড়া কৃষি আঞ্চলিক অফিসের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ কৃষি মৌসুমে উত্তরের চার জেলা বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জে আলুর চাষ হয়েছিল ১ লাখ ১৪ হাজার ১৬ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার ২ মেট্রিক টন।

অন্যদিকে চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে ১ লাখ ১০ হাজার ৪১০ হেক্টর জমি। ইতোমধ্যে চাষ হয়েছে ৪৭ হাজার ৩২৩ হেক্টর জমিতে। আগাম জাতের আলু উত্তোলন হয়েছে ১০০ হেক্টর। উৎপাদন প্রতি হেক্টরে ১৪ মেট্রিক টন। 

গত মৌসুমে পর্যাপ্ত মজুদ এবং চলতি মৌসুমে নতুন আলু উত্তোলনের ফলে পুরনো আলু হিমাগার থেকে নিচ্ছে না কৃষকরা। দাম না থাকায় কৃষকদের বস্তাপ্রতি লোকসান গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ টাকা। এক বস্তা লালশীল আলু মৌসুমে ক্রয় ও ভাড়াসহ খরচ হয়েছে ১৫৫০ টাকা, আর এ বছর তা বিক্রি হয়েছে কখনো ৫০০-৪০০-২০০ টাকায়। সম্প্রতি ১ বস্তা আলু ১০০ টাকায়ও নিচ্ছে না কৃষকরা। এই অবস্থাকে আলু চাষিরা দুর্যোগ হিসেবে দেখছেন।

উত্তরাঞ্চলের শস্যভান্ডার নামে খ্যাত শিবগঞ্জ উপজেলায়র ১৪টি কোল্ডস্টো রেজের প্রতিটির ধারণক্ষমতা ১ লাখ থেকে দেড় লাখ বস্তা। গড়ে শিবগঞ্জে আলু মজুতের পরিমাণ ১৫ লাখ বস্তা যা ব্যবসায়ী ও কৃষক  মিলে সংরক্ষণ করেছেন। এসব স্টোরে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ আলু এখনো পড়ে আছে।

বগুড়া জেলায় মোট কোল্ডস্টোরেজ আছে ৩৩টি, যার প্রতিটিতে ১ থেকে ২ লাখ বস্তা ধারণক্ষমতা। প্রতি বস্তায় ৮৪ কেজি আলু থাকে। 

শিবগঞ্জ সদরে অবস্থিত নিউ কাফেলা কোল্ড স্টোরেজের ক্যাশিয়ার আখতারুজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে ১ লাখ বস্তা আলু সংরক্ষণ করা আছে। এর মধ্যে ৭৪ হাজার বস্তা আলু কৃষক ও ব্যবসায়ীদের সরবরাহ করা হয়েছে, বাকি ২৬ হাজার বস্তা আলু ব্যবসায়ী ও কৃষক কেউ নিতে আসছে না। মজুদকৃত মোট আলুর ৫০ ভাগের বিপরীতে ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণও দেওয়া আছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কৃষক ও ব্যবসায়ী ঋণের টাকা পরিশোধ করছেন না।

প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ বস্তা আলু পচে নষ্ট হচ্ছে দাবি করে আখতারুজ্জামান জানান,  নারী শ্রমিকরা এগুলো বাছাই করছেন। দাম কম থাকায় স্টোরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ সীমিত করা হয়েছে। নিউ কাফেলা কোল্ডস্টোরে বিগত ৯ মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৮৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া প্রশাসনিক খরচ, কর্মচারীদের বেতন বিল মিলে ৬০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। এই কোল্ডস্টোরে চলতি মৌসুমে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে বলে জানান তিনি।

একই অবস্থা পার্শ্ববতী কোল্ডস্টোরেজ হিমাদ্রীর। এর ধারণক্ষমতা ৯৫ হাজার বস্তা এবং অধিকাংশই বীজ আলু। দীর্ঘদিন ধরে এই স্টোরের সুনাম আছে। কিন্তু এখানেও ১২ হাজারের বেশি বস্তা আলু অবিক্রীত রয়েছে বলে জানান এর জিএম আব্দুল করিম।  তিনি বলেন, কেউ আলু নিতে আসছে না। মজুদকৃত আলুর বিপরীতে ৪০ শতাংশ হারে লোন দেওয়া আছে। কিন্তু লোন পরিশোধ তো দূরের কথা, গ্রাহক ও ব্যবসায়ী কেউই স্টোরের ধারে-কাছে আসছে না।

জিএম আব্দুল করিম বলেন, ‘এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে না পারলে অচিরেই ধংস হয়ে যাবে এই শিল্প, নিঃস্ব¦ হয়ে যাবে হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও কৃষক।

শিবগঞ্জের দোপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ এই মৌসুমে ১ হাজার ৫০০ বস্তা আলু ব্যবসার উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেন। এর আনুমানিক মূল্য ২২ লাখ ৬৬ টি হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু আলু বিক্রি করেছেন মাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকার। এই কৃষকের তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা লাপাত্তা হয়ে গেছে। এ রকম আরো বহু কৃষকের একই দশা।

বগুড়ার প্রতিটি উপজেলায় চারদিকে সবুজ ছাতার বেষ্টনীর মতো গড়ে উঠেছে এসব শিল্প। এর মধ্যে শিবগঞ্জে বেশি। এর মধ্যে রয়েছে মোকামতলা এএইচজেড কোল্ডস্টোর, আগমনী কোল্ডস্টোর মহাস্থান, শাহা হিমাদ্রী উথলি বাজার, হিমাদ্রী লিঃ সাদুরিয়া, আফাকু কিচক, হিমাদ্রী শিবগঞ্জ, নিউ কাফেলা শিবগঞ্জ, কাজী কোল্ডস্টোর শোলাগাড়ী, মাহমুদিয়া জামুর হাট, মালটি পারপাস ধনতলা, শাহ সুলতান খয়রা পুকুর, নিউ জনতা বুড়িগঞ্জ। চলতি মৌসুমে এসব শিল্পের কোনোটিই লোকসানের ছোবল থেকে রেহায় পায়নি।

কোল্ডস্টোরে মালিকদের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, প্রায় ১০০ কোটি টাকা লোকসান হবে বগুড়ার এসব কোল্ডস্টোরে।

শিবগঞ্জে কৃষি বিভাগের কর্মী কামাল হোসেন জানান, বিগত বছরে শিবগঞ্জে ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। কিন্তু এই অবস্থা চলতে থাকলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

গত মৌসুমে বগুড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১ লাখ টন আলু বেশি উৎপাদন হয়েছিল বলে জানান বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রতুল চন্দ্র সরকার। ফলে বর্তমানে পুরনো আলুর দাম কমেছে। তিনি মনে করেন, বর্তমানে নতুন মৌসুমে কৃষকরা আলু লাগাতে শুরু করেছে। হিমাগার থেকে কিছু আলু বীজ হিসেবে বের হয়ে আসবে। তখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে মনে করেন তিনি।

এই দুর্যোগ থেকে মুক্তি পেতে বিদেশে বাংলাদেশি আলুর চাহিদা তৈরি করার তাগিদ দেন সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও কৃষকরা। এর পাশাপামি ফসলি বীমা ও ঝুঁকি বীমা চালু এবং আপদকালীন সময়ে সরকারিভাবে নিরাপত্তা কৃষিবলয় তৈরির দাবি জানান তারা।

বাজারে আসছে ২৫১ রুপির স্মার্টফোন!!!

 
বাংলা নিউজ ডেস্ক:
বাজারের সবচেয়ে কম দামে স্মার্টফোন বিক্রির ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছিল ভারতীয় সংস্থা রিংগিং বেলস। প্রতিষ্ঠানটির দেশটির বাজারে ২৫১  রুপিতে ফোন বিক্রির ঘোষণা দেয়।

রাতারাতি হিড়িক পড়ে যায় ওই স্মার্টফোন বুকিংয়ের। এমনই অবস্থা হয় যে পেমেন্ট গেটওয়ে ক্র্যাশ করে। ২০১৬-র জুলাইতে প্রথম দফায় ৫০০০টি মতো হ্যান্ডসেট ডেলিভারি করেছে বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ, অর্ডার জমা পড়েছিল কয়েক লক্ষ। শেষ পর্যন্ত হাজারো পুলিশি অভিযোগের ভিত্তিতে ওই সংস্থার মালিক গোয়েলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সেই গোয়েলই এবার দাবি করেছেন, ভারত সরকারের সাহায্য পেলে আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই তিনি প্রতিশ্রুতি মোতাবেক হ্যান্ডসেটগুলির ডেলিভারি দিতে পারবেন।

বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা হ্যান্ডসেট নিয়ে কেলেঙ্কারিতে মূল অভিযুক্ত গোয়েল বলছেন, ‘আমি কোনও দোষ করিনি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, ঠকানো হয়েছে। দুই ব্যক্তি মিলে আমার কাছ থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে চম্পট দেয়।’

গোয়েলের অভিযোগ, ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া‘ ও ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া’ প্রকল্পকে সমর্থন জানালেও সরকার তাকে কোনও সাহায্যই করেনি।

সংবাদ সংস্থাকে গোয়েল দাবি করেছেন, খুবই সস্তায় হ্যান্ডসেট এনে বাজার ধরতে ঝাঁপানো যায়, সেটা জিও-কে তিনিই শিখিয়েছেন। এখন গোটা ভারতে তারই মডেলকে অনুসরণ করছে।

যে তিন কারনে অপুকে তালাক দিলেন শাকিব

 
বাংলা নিউজ ডেস্ক:
সোমবার বিকালে খবর ছড়িয়ে পড়ে, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন তার স্বামী শাকিব খান। বিষয়টির সত্যতা জানতে বিকালেই যোগাযোগ করা হয় শাকিবের পরিবারের সঙ্গে। নায়কের পরিবারিক একটি সূত্র ঢাকাটাইমসকে জানায়, সিরাজুল ইসলাম নামের প্রবীণ এক আইনজীবীর মাধ্যমে অপুকে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন শাকিব।

পরে এ বিষয়ে ওই আইনজীবীর বয়ান থেকে জানা যায়, অপুর বিরুদ্ধে গুরুতর তিনটি অভিযোগ এনে তালাকনামা পাঠিয়েছেন শাকিব। তিনি বলেন, ‘ধর্মান্তরিত হয়ে শাকিব খানকে বিয়ে করেছিলেন অপু বিশ্বাস। কথা ছিল, তিনি মুসলিম রীতিনীতি মেনে চলবেন ও গৃহিনী হয়ে থাকবেন। কিন্তু অপু বিশ্বাস সে কথা রাখেননি।’ এমনকী তিনি স্বামী শাকিব খানের কোনো নির্দেশ মেনে চলেন না বলেও জানান ওই আইনজীবী।

দ্বিতীয় অভিযোগ, গত ১৭ নভেম্বর ছেলে আব্রাম খান জয়কে কাজের মেয়ে শেলীর কাছে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে কলকাতায় যান অপু। এমন খবর পেয়ে ওইদিনই ছেলেকে দেখতে অপুর নিকেতনের বাসায় ছুটে যান শাকিব। কিন্তু তালাবদ্ধ থাকায় দেখা করতে পারেনি ছেলে জয়ের সঙ্গে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ছেলেকে উদ্ধারে থানায় জিডিও করেন শাকিব খান।

তৃতীয় অভিযোগ, কলকাতা থেকে ফিরে এসে অপু জানান, চিকিৎসা করাতে কলকাতা গিয়েছিলেন তিনি। তবে এই কথা নাকি মানতে নারাজ স্বামী শাকিব খান। আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি অভিযোগ করেন, অপু নাকি ছেলে জয়কে কাজের মেয়ের কাছে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে কলকাতায় কথিত বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। এমন অভিযোগের ব্যাপারে অবশ্য অপুর পক্ষ থেকে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় শাকিব খান আইনজীবী সিরাজুল ইসলামের চেম্বারে যান। তিনি স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে তালাক দেয়ার ব্যাপারে এই আইনজীবীর কাছে আইনগত সহায়তা চান। এরপর শাকিব খানের পক্ষে আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের অফিস থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র কার্যালয়, অপু বিশ্বাসের ঢাকার নিকেতনের বাসা এবং বগুড়ার ঠিকানায় এই তালাকের নোটিশ পাঠানো হয়। তবে এই তালাক কার্যকর হবে নোটিশ পাঠানোর তারিখ থেকে তিন মাস পর।

টাইগারদের নতুন কোচ হচ্ছেন সেই পাইবাস

 
বাংলা নিউজ ডেস্ক:
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বেশ বাজে একটা সময় পার করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মাশরাফি-সাকিব-মুশফিকদের একের পর এক হারে ক্ষতবিক্ষত টাইগার সমর্থকদের হৃদয়। রীতিমত শূন্য হাতেই দেশে ফিরেছে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা।

কেন এমন দুরবস্থা? কী কারণে হতাশার বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ? এমনসব প্রশ্ন নিয়ে যখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ঠিক সে মুহূর্তে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন প্রধান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর তখনও শেষ হয়নি, তাই দেশে ফিরেই বাজল কোচের বিদায়ী সুর।

হাথুরু চলে যাওয়ার পর থেকে নতুন কোচ খোঁজা শুরু করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যে দৌড়ে টম মুডি, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারদের মতো হাই-প্রোফাইল কোচদের প্রস্তাব দিয়েও না শুনতে হয়েছে বিসিবিকে। শেষমেশ বাংলাদেশের সাবেক কোচ রিচার্ড পাইবাসের দ্বারস্থ হয় বাংলাদেশ। হাথুরুর আসন দখলে নেওয়ার খুব বেশি সম্ভাবনা তার।

আজ সন্ধ্যায় ঢাকা আসছেন পাইবাস। বুধবার বিসিবি'র সাথে বসতে পারেন তিনি, এমন খবর জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস। তবে পাইবাসের টাইগার কোচ হওয়ার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি বিসিবি।

দেশের একটি দৈনিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি আজ সন্ধ্যায় আসছে। তবে সাক্ষাৎকারের সময়টা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না। হয়তো কাল দুপুরের দিকে বসবেন।’

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে কোচ স্টুয়ার্ট ল এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ রিচার্ড পাইবাস। মাত্র চার মাস তামিম-মুশফিকদের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। বিসিবির সঙ্গে ভালো যায়নি পাইবাসের সে সময়। চুক্তিতে সই না করেই প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিসিবির বার্ষিক ৪৫ দিনের ছুটির শর্তেও আপত্তি ছিল পাইবাসের। অনুশীলনে খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার না দেওয়ার অভিযোগও ছিল তার।

রিকশার মেলা!!

 
বাংলা নিউজ ডেস্ক :
কারো কোন  নিয়মনীতি নেই। যার যেভাবে খুশি চালাচ্ছেন। চলছে ভিআইপি সড়কেও। কোনো কোনো এলাকায় চলছে ব্যাটারি লাগিয়ে। কখনো কখনো পুরো শহরটাকে মনে হয় ‘যেন রিকশার শহর’। কোনো কোনো এলাকায় রিকশাই বাধা হচ্ছে পথ চলতে। পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নগরীর রাস্তায় চলাচলকারী সব যানবাহন ও চালকের জন্য আইন থাকলেও রিকশা চলছে কোনো আইন না মেনেই। অথচ ভুক্তভোগীরা বলেছেন, প্রতিদিন রাজধানীতে যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে তার বেশির ভাগের জন্য দায়ী এই রিকশা।

রাজধানীর অলিগলি থেকে ভিআইপি সড়ক সবই এখন রিকশার দখলে। ১২-১৪ বছরের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত এসব রিকশার চালক। দিন-রাত এই রিকশা চলছে কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই। যেভাবে পারছে, যে জায়গা থেকে পারছে রিকশা চলছে। রিকশার গ্যারেজ মালিক ও রিকশা চালকদের তথ্যানুযায়ী রাজধানীতে এখন ১২ লাখের ওপর রিকশা চলছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে কোনো তথ্য নেই।

রাজধানীতে চলাচলকারী রিকশা চালকেরা নিষেধাজ্ঞাও মানছেন না। রাজধানীর ভিআইপি সড়কসহ কিছু কিছু সড়কে রিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না চালকেরা। যাদের দায়িত্ব রয়েছে এগুলো নিয়ন্ত্রণের সেই ট্রাফিক পুলিশও এ ব্যাপারে নির্বিকার। পুলিশের সামনে দিয়েই ভিআইপি সড়কে রিকশা চলছে। আর এ ক্ষেত্রে সুযোগ করে দিচ্ছে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। গতকাল দুপুরের দিকে মৎস্যভবন এলাকায় দেখা যায় ১০ মিনিটে ৩১টি রিকশা দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবলকে ম্যানেজ করে ভিআইপি রাস্তায় ঢুকে যেতে। রিকশাগুলো শিল্পকলার গেট পার হয়েই গোপনে ট্রাফিক কনস্টেবলের হাতে কী যেন গুঁজে দিচ্ছে, আর তিনি রিকশাগুলো ছেড়ে দিচ্ছেন। শামীম হাওলাদার নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, যতবার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন প্রতিবারই ঘটেছে রিকশাওয়ালাদের জন্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিদিন নতুন করে রিকশা নামছে রাজধানীর রাস্তায়। রিকশার কোনো লাইসেন্স লাগে না। চালকেরও কোনো লাইসেন্স বা প্রশিক্ষণ লাগে না। শুধু প্যাডেল ঘোরাতে পারলেই চলে। অভিযোগ রয়েছে এই রিকশা এখন প্রশাসন থেকে শুরু করে একটি সঙ্ঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের কোটি কোটি টাকার উপার্জনের পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৫ বছরে অন্তত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে রিকশার ভুয়া নম্বর প্লেট বিক্রি করে। আর ওই নম্বর প্লেটকেই বৈধ বলে ধরে গণ্য করছে পুলিশ প্রশাসন। ওই নম্বর প্লেট যেসব রিকশার রয়েছে তা অবাধে চলতে পারছে রাজধানীতে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অবৈধ এই বাণিজ্য চলছে রিকশা-ভ্যান মালিক ও শ্রমিক নামধারী কিছু সংগঠনের ব্যানারে। সহায়তা করছে সিটি করপোরেশন এবং মহানগর পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য। বানানো ওই নম্বর প্লেট দিয়েই চলছে অন্তত ১২ লাখ রিকশা ও ভ্যান। তবে এর নির্দিষ্ট কোনো হিসাব নেই ঢাকা সিটি করপোরেশন বা ট্রাফিক পুলিশের কাছে। এখন রাজধানীর সব পথঘাট উন্মুক্ত পেয়ে রিকশা ও ভ্যানের সংখ্যা আরো বেড়ে চলছে। সূত্র জানায়, সরকারি কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও রাজধানীতে রিকশাচালকের সংখ্যা ১৫ লাখের কম হবে না। সূত্র জানায়, যারা এক সময় রিকশার নম্বর প্লেট বিক্রি করতেন তাদের অনেকেই এখন রাজনৈতিক দলের বড় নেতা।

রিকশা-ভ্যান মালিক-শ্রমিক সংগঠন সূত্রে জানা যায়, রাজধানীতে বর্তমানে কমপক্ষে ১০ লাখ রিকশা-ভ্যান, ঠেলাগাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ি রয়েছে। কিন্তু বৈধ লাইসেন্স রয়েছে মাত্র ৮৭ হাজার। এই লাইসেন্সও অনেক পুরনো। এর মধ্যে রিকশা ৭৯ হাজার ৫৫৪টি, ভ্যান ৮ হাজার। বাদবাকি ঠেলাগাড়ি ও ঘোড়াগাড়িসহ অন্যান্য অযান্ত্রিক বাহন। ১৯৮৬ সালে শেষ লাইসেন্স ইস্যু করা হয়।

অজ্ঞাত কারণে গত ৩১ বছর ধরে সিটি করপোরেশন থেকে কোনো বৈধ লাইসেন্স ইস্যু করা হচ্ছে না। আর পুরনো লাইসেন্স নবায়নও করা হচ্ছে না। আর এই সুযোগে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন সংগঠনের নামে রিকশা-ভ্যানের লাইসেন্স দিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় রিকশা মালিক ও শ্রমিকদের নামে অন্তত ২৮টি সংগঠন রয়েছে। এরাই মূলত রাজধানীর রিকশা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো কোনো এলাকায় মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে রিকশা নিষিদ্ধ করা হয়। ওই নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল আছে। কিন্তু তা কার্যকর নেই। এই সুযোগে ভিআইপি রোডেও চলছে রিকশা-ভ্যান।

তিন দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী



বাংলা নিউজ ডেস্ক:
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৩২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন সাংবাদিকদের জানান, বিকেল ৪টা ৩২ মিনিটে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করে।

এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে নমপেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় দুপুর পৌনে ২টায় সফর সঙ্গীদের নিয়ে তিনি দেশের উদ্দেশে রওনা দেন।

পবিত্র কুরআনের আয়াত দিয়ে বক্তব্য শেষ করলেন খালেদা জিয়া


বাংলা নিউজ ডেস্ক:
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় পবিত্র আল-কুরআনের সুরা নিসার ১৩৫ নম্বর আয়াতের বাংলা তরজমার পাঠের মধ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে দেয়া বক্তব্যে শেষে খালেদা জিয়া বলেন, আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি পবিত্র কুরআনের সুরা নিসার ১৩৫ নং আয়াতের বাংলা তরজমা উল্লেখ করে। বাংলা তরজমা : “হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর, তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাক্সক্ষী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ-কর্ম সম্পর্কেই অবগত।” (৪ : ১৩৫)

মঙ্গলবার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে শেষ দিনের বক্তব্যে খালেদা জিয়া পবিত্র কুরআনের এই আয়াত পাঠ করে আদালতে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ দেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে খালেদা জিয়া বলেন, আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং এ মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়ার যোগ্য। আমি এই মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি এবং আপনার আদালতে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশীদ নিরপেক্ষতার বিধান লঙ্ঘন করে কোনো রুপ দালিলিক প্রমাণ ছাড়া ১৫ দিনের মাথায় আমার বিরুদ্ধে একটি হয়রানিমূলক ও মিথ্যা রিপোর্ট দাখিল করেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি নিরপেক্ষ থাকলে এ রূপ অনুমান নির্ভর সাক্ষ্য দেয়ার সুযোগ থাকত না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার অপপ্রয়াস হিসেবে অনুমান নির্ভর ও কাল্পনিক অভিযোগে এই মামলায় মিথ্যা বর্ণনায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমাকে, জিয়া পরিবার ও বিএনপিকে হয়রানি করার প্রয়াস হিসাবে এ মামলাটি করা হয়েছে। জিয়া অরফানেজের সঙ্গে আমি কোনোভাবে জড়িত নই।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন থাকার সময় কোনো মাধ্যমে আমার পদের অপব্যবহার করিনি। আমার পদের অন্যায় প্রভাব খাটাইনি।’

আজ বেলা সোয়া ১১টা থেকে ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনের
সময় খালেদা জিয়া আদালতকে বলেছেন, তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ। এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস পাওয়ার যোগ্য। আদালতের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ বানোয়াট ও অপ্রমাণিত। আমি দৃঢ়ভাবে সব অভিযোগ অস্বীকার করছি। আমি প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন থাকার সময় কোনো মাধ্যমে আমার পদের অপব্যবহার করিনি। আমার পদের অন্যায় প্রভাব খাটাইনি। আমাদের পারিবারিক বাসস্থান ৬ মঈনুল রোড, এখানে আমার পরিবারের সবাই থাকতেন। এটা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নয়। আমি আমার পদে থাকার সময় কারও মাধ্যমে আমার পদের প্রভাব খাটাইনি। আমি কাউকে কোনো অন্যায় আদেশ প্রদান করিনি। আমি আমার পদে থাকার সময় কারও কোনো অর্থের দ্বারা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হইনি। কাউকে অনৈতিকভাবে লাভবান করিনি। আমি আমার পদে আসীন থেকে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনো আইন ভঙ্গ করিনি ও কোনো অপরাধ করিনি।’

খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেষ হলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৯, ২০ ও ২১ ডিসেম্বর যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও একই দিনে সাফাই সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

হাথুরুর বিদায়ে বড় পরিবর্তন আসতে পারে জাতীয় দলে


বাংলা নিউজ ডেস্ক:
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। তবে বিষয়টা অনেকটা পানির মতোই পরিষ্কার যে, বাংলাদেশ ক্রিকেটে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অধ্যায় শেষ। বাংলাদেশের কোচের চেয়ারে হাথুরু আর বসছেন না। এদিকে কোচ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা যখন শুধু বাকি তখন জাতীয় দলে বেশ কিছু পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিসিবির বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন সিরিজে তিন থেকে চারটি পরিবর্তন আসতে পারে বাংলাদেশ দলে।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরসহ সম্প্রতি সময়টাতে বারবার ব্যর্থ হয়েও যারা খেলে গেছেন তাদের আর সুযোগ দেওয়া হবে না বলছে সূত্রটি। কথাটার সত্যটা আরেকটু বাড়িয়ে দিয়েছেন খোদ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদনি নান্নু। বেসরকারি একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নান্নু জানিয়েছেন, চলতি বিপিএল, এনসিএলসহ গত ছয় মাসের পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দিয়ে দল সাজানো হবে।

হাথুরু অধ্যায়ের সমাপ্তির পর প্রধান নির্বাচকের এই কথার বাস্তবতা মিলবে মনে করা হচ্ছে। কারণ হাথুরুসিংহে নিজেও নির্বাচন প্যানেলের সঙ্গে ছিলেন। ফলে দল নির্বাচন করতে তার মতামত বড় ভূমিকা রাখতো। তিনি চলে যাওয়ার পর নির্বাচকদের এবার পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়েই দল বেছে নিতে পারার কথা।

নান্নু বলেন, ‘বিগত ছয় মাসে এনসিএল, বিপিএলের পারফরম্যান্স আমরা ঘেঁটে দেখব। নজরে থাকবেন অনেকেই। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার পারফরম্যান্সও বিবেচনায় থাকবে। এসব হিসেবে নিয়ে আসন্ন সিরিজে আমরা দল বানাতে চাই।’

এবারের বিপিএলে দারুণ বোলিং করছেন বাংলাদেশি বোলাররা। সাকিব আল হাসান উইকেট শিকারিদের শীর্ষে। তিন তরুণ পেসার আবু জায়েদ রাহি, আবু হায়দার রনি ও সাইফুদ্দিনও দারুণ বোলিং করছেন। উইকেটশিকারিদের তালিকায় সেরা পাঁচে উঠানামা চলছে তিনজনেরই। নান্নুর ওই কথায় স্বপ্ন দেখতেই পারেন রনি-রাহিরা!

ব্যাটিংয়ে দেশিয় ক্রিকেটাররা খুব বেশি আলো ছড়াতে পারেননি অবশ্য। তবে ধারাবাহিক না হলেও দারুণ কিছু ইনিংস উপহার দিয়েছেন কয়েকজন। মমিনুল হক বিপিএলের শুরুর দিকে দারুণ কয়েকটা ইনিংস খেলেছেন। তরুণ নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেনরা ব্যাটিং সামর্থ দেখিয়েছেন। রংপুরের মোহাম্মদ মিঠুন বেশ ধারাবাহিক ভালো ব্যাটিং করেছেন। শাস্ত-মিঠুনরাও স্বপ্ন দেখতে পারেন।

অন্যদিকে অনেকদিন যাবত অফ ফর্মে থাকা সৌম্য সরকারের জন্য কথাটা হয়তো চিন্তার। তরুণ পেসার তাসকিন আহমেদও ঠিকভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না অনেকদিন যাবত। ‘কাচি’ চলতেও পারে সৌম্য-তাসকিনদের উপর!

বগুড়ায় গত অর্থ বছরে আয়কর আদায় বেড়েছে ৮০ কোটি টাকা

বাংলা নিউজ ডেস্ক:
উত্তর বঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার কর অঞ্চলে আয়কর আদায়ের পাশাপাশি বেড়েছে কর দাতার সংখ্যা। গত অর্থ বছরে আয়কর আদায় বেড়েছে ৮০ কোটি টাকা। আর আয়কর দাতা বেড়েছে ২৯ হাজারের বেশি। ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর সেবা সপ্তাহে চলাকালে এ তথ্য জানা গেছে।
বগুড়া কর কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ কর অঞ্চলে কার্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালে। বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট ও গাইবান্ধা এ চার জেলা নিয়ে ২০১৪ সাল থেকে বগুড়া কর অঞ্চলের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ২২টি সার্কেল অফিস ও চারটি রেঞ্জ অফিস নিয়ে কর অঞ্চল সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বগুড়া কর অঞ্চলে প্রায় এক লাখ ছয় হাজার করদাতা নিবন্ধিত রয়েছেন। এরমধ্যে অনেক আয়করদাতা বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। গত তিন বছরে এ অঞ্চলে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৮০ কোটি টাকা। আর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলে করদাতার সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২৯ হাজার।

বগুড়া কর অঞ্চলে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১৫৫ কোটি টাকারও বেশি। ওই বছর কর প্রদান করেন ৩৪ হাজারের বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭০ কোটি টাকা। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২৪ কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে। মোট প্রায় ৩৭ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আয়কর প্রদান করেন। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে আয়কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছিল ২৩০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ২৩৫ কোটি টাকা। গত তিন বছরে বগুড়া কর অঞ্চলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলে করদাতার সংখ্যা বেড়েছে  ২৯ হাজারের বেশি। আর কর আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে ৮০ কোটি টাকা।
এ অঞ্চলে মোট ৯৭ হাজার ৬৫০ জন টিআইএনভুক্ত করদাতার কর অদায়ে চলতি অর্থ বছর মোট ৩৩৫ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ইতিমধ্যে ১ নভেম্বর থেকে ৪ দিনব্যাপী আয়কর মেলার আয়োজন করা হয়। এবারের মেলায় মোট ৭ হাজার ৪৫৩ জন করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। মেলা থেকে মোট ৪ কোটি ৮১ লাখ ৯১ হাজার টাকা আয়কর আদায় হয়েছে। যা গত বছরের মেলার তুলনায় ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা বেশি।

৬০ বছরে নয় প্রবীণ হবে ৬৫ বছরে


বাংলা নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ অনুযায়ী কারো বয়স ৬০ বছর হলেই তাকে ‘প্রবীণ’ বলা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, বয়স ৬০ হলেই প্রবীণ বলা উচিত না। ওই বয়সটাকে ৬৫ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া উচিত। সরকারের চলতি মেয়াদেই তা বদলানোর উদ্যোগ নিতে চান অর্থমন্ত্রী। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়। ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ৬০ বছরেই প্রবীণ হওয়া এখন উচিত নয়। এটি একান্তই সত্যি কথা। আমাদের এটাকে অন্ততপক্ষে ৬৫ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া উচিত।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনি উদ্যোগ নেন। আমি আপনার সঙ্গে আছি। আমাদের এই আমলেই, আমাদের আর এক বছর সময় আছে। এই এক বছরের মধ্যেই আমরা এটা পরিবর্তন করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারি।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রবীণদের ভালো রাখা ও নিরাপদ রাখা সবার দায়িত্ব। সিনিয়র সিটিজেনদের কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু পাওয়ার আছে। তাদের অভিজ্ঞতা, তাদের দক্ষতা আমাদের সমাজকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে  অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী  নুরুজ্জামান এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। পরে ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তৈরি হবে প্রবীণদের জন্য রিসোর্ট ‘অবসর আমার আনন্দ ভুবন’। 

এবার মহাকাশে বসে পিৎজা বানাল নভোচারীরা


বাংলা নিউজ ডেস্ক:
এবার  মহাকাশে বসে পিৎজা বানাল নভোচারীরা।  আর এর জন্য পৃথিবী থেকে পাঠানো হল পিৎজার সব উপকরণ।  গত নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া থেকে পিৎজা তৈরির উপকরণ, আইসক্রিম এবং আরও নানা ধরনের খাবার পাঠানো হয় ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে। আর তা দিয়েই মহাশূন্যে আয়োজন করা হয় পিৎজা পার্টির।  

জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন বা বাসযোগ্য কৃত্রিম এ উপগ্রহে অবস্থানরত ইতালির নভোচারী পাওলো নেসপলি বেশ ক’দিন ধরেই পিৎজা খেতে চাইছিলেন। তাই এ বিশেষ সারপ্রাইজের ব্যবস্থা করলেন মহাকাশ কেন্দ্রের ম্যানেজার কির্ক শারম্যান। নভোচারীদের জন্য পৃথিবী থেকে খাবার পাঠানোর সময় এতে যুক্ত করা হয় পিৎজা তৈরির সব উপকরণ।  

নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় মহাকাশ কেন্দ্রে বসে নভোচারীদের পিৎজা তৈরির দৃশ্য। মাধ্যাকর্ষণহীন পরিবেশে পিৎজা তৈরিও কম বিড়ম্বনার নয়। শূন্যে ভাসতে থাকা উপকরণগুলো যেন কখনোই স্থির থাকতে চায় না। গোল গোল পিৎজাগুলো ছোটাছুটি করতে থাকে স্পেস স্টেশনের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে।

এতো সাধের পিৎজাটি খেতে কেমন হবে? পাওলো নেসপলি বলেন, পিৎজাটি আশ্চর্যজনক সুস্বাদু। আরেক নভোচারী র‍্যান্ডি ব্রেস্নিক বলেন, পিৎজা সব সময়ই সুস্বাদু, সেটা ঘরে বসেই বানানো হোক অথবা মহাকাশে।

পাঁচটি মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রকল্প ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের পিৎজা উৎসবে মেতেছিলেন ছয় নভোচারী। এদের মধ্যে তিনজন মার্কিন, একজন ইতালিয়ান ও দু’জন রাশিয়ান।

৩০-এর পরেও সিঙ্গেল হতে পারে বিপদ!

বাংলা নিউজ ডেস্ক:
একদল বিজ্ঞানী বিশ্লেষন দেখা যায়, বেশি দিন সিঙ্গেল থাকলে নাকি স্মৃতিলোপ পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। শুধু তাই নয়, ডিমেনশিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও নাকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু সিঙ্গেল থাকার সঙ্গে স্মৃতি লোপের কনেকশনটা কোথায়? কয়েকজন ব্রিটিশ গবেষক সারা বিশ্বের প্রায় ৮ লাখ মানুষের উপর দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা চালিয়ে একটা বিষয় লক্ষ করেছেন যে ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে থাকলে শরীর এবং মন এতটাই চাঙ্গা থাকে যে কোনও রোগই ধারের কাছে ঘেঁষতে পারে না।  

কিন্তু সমস্যা শুরু হয় যখন কেউ দীর্ঘদিন একা থাকে। এমনটা হলে ডিমেনশিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। কারণ একাকিত্ব এক ধরনের বিষ, যা ধীরে ধীরে শরীর এবং মস্তিষ্ককে ভেঙেচুরে দেয়। ফলে নানা মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই স্মৃতির ভান্ডারকে সুরক্ষিত রাখতে চটজলদি বিয়ে করে নিতে ভুলবেন না কিন্তু!মূলত যে যে খাবারগুলি নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি মারাত্মক বৃদ্ধি পায়, সেগুলি হল...

১. অ্যাভোকাডো: 
এই ফলটিতে উপস্থিত ভিটামিন কে এবং ফলেট মস্তিষ্কের অন্দরে ব্লাড ক্লট হওয়ার আশঙ্কা কমায়। সেই সঙ্গে কগনিটিভ ফাংশানেরও উন্নতি ঘটায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। বরং নিয়মিত অ্যাভোকাডো খেলে মেমরি বাড়তে শুরু করে।

প্রসঙ্গত, অ্যাভোকাডোর অন্দরে সি এবং বি ভিটামিনেরও সন্ধান পাওয়া যায়। এই দুটি ভিটামিনও ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. বিট: 
বয়স যদি ৩০ পেরিয়ে গিয়ে থাকে এবং এখনও যদি বিয়ের সানাই না বেজে থাকে, তাহলে রক্তিম এই সবজিটি খাওয়া শুরু করতেই হবে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বিটের অন্দের থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের অন্দরে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, তেমনি মস্তিষ্কে রক্তের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্রেন পাওয়ার বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বাড়ে স্মৃতিশক্তিও।  

৩. জাম: 
স্মৃতিশক্তি কমে যাক, এমনটা যদি না চান, তাহলে নিয়মিত এক মুঠো করে জাম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটির অন্দের থাকা ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং ফাইবার এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, জামে থাকা গ্যালিক অ্যাসিড, ব্রেনকে স্ট্রেস এবং ডিজেনারেশনের হাত থেকে বাঁচায়। ফলে সিঙ্গেল থাকলেও ডিমেনশিয়ার মতো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।  

৪. ব্রকলি: 
ক্রসিফেরাস পরিবারের এই সবজিটি স্মৃতিশক্তিকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো যাদের পরিবারে ডিমেনশিয়া রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বেশি করে এই সবজিটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে ব্রকলির মধ্যে থাকা ভিটামিন কে এবং কোলিন এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, ব্রকলি যে পরিবারের সদস্য, বাঁধাকোপি এবং ফুলকোপিও সেই একই পরিবারের অংশ। তাই ব্রকলি খেতে ইচ্ছা না করলে বাঁধাকোপি বা ফুলকোপিও খেতে পারেন।  

৫. নারকেল তেল: 
শুনতে একটু আজব লাগলেও একথা ঠিক যে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে নারকেল তেল বাস্তবিকই সাহায্য করে থাকে। আসলে এই তেলটির অন্দরে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি প্রপাটিজ মস্তিষ্কের ভিতরে প্রদাহ হওয়ার আশঙ্কা কমায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তির কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।  

৬. ডার্ক চকোলেট: 

একটু তেঁতো খেতে, বিশেষ ধরনের এই চকলেটটিতে ফ্লেবোনয়েড নামক একটি উপাদান থাকে, যা মেমরি লসের আশঙ্কা একেবারে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের অন্দরে প্রদাহ কমিয়ে অন্যান্য ব্রেন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়। তাই সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে যদি দীর্ঘদিন কর্মক্ষম রাখতে চান, তাহলে নিয়মিত অল্প করে ডার্ক চকোলেট খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন বিয়ে না করলেও কোনও চিন্তা থাকবে না।

‘টাইটানিক’-এর সেই দম্পতির আসল পরিচয় মিলল

বাংলা নিউজ ডেস্ক:
আজ থেকে ১০৫ বছর আগে আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর তৎকালীন বৃহত্তম জাহাজ টাইটানিক। সেই সময়ে জাহাজে কতজন যাত্রী ছিলেন, তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।  

তবে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যাত্রী ও জাহাজের কর্মী মিলিয়ে প্রায় ১৫০০ জনকে নিয়ে পাড়ি দিয়েছিল টাইটানিক। তবে ডুবে যাওয়ার মুহূর্তে প্রাণ বাঁচাতে পেরেছিলেন মাত্র ৩০ শতাংশ। বাকি ৭০ শতাংশ মারা যান সে রাতেই।

দুর্ঘটনার সময়ে যাত্রীদের মধ্যে এমন অনেকেই ছিলেন, যারা বিপদের মুহূর্তেও প্রিয়জনকে ছেড়ে যাননি।  
এর মধ্যে উল্লেখ্য ছিল এক বৃদ্ধ দম্পতি। জেমস ক্যামেরনের ‘টাইটানিক’ ছবিতেও দেখানো হয়েছে তাদের। সবাই যখন বাঁচার জন্য মরিয়া তখন সেই দম্পতি পরস্পরকে জড়িয়ে শুয়ে রয়েছেন জাহাজের কেবিনে। সমুদ্রের ফুঁসে ওঠা পানি ক্রমাগত ধাক্কা দিচ্ছে তাদের বিছানায়।

টাইটানিকে সেই দম্পতির অস্তিত্ব সত্যিই ছিল, নাকি ওটা কেবলমাত্র সিনেমার জন্যই দেখানো, তা নিয়ে কৌতূহল অনেকেরই রয়েছে।

এতদিনে সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সেই বৃদ্ধের নাম ইসিডর স্ত্রাউস এবং তার স্ত্রী ইডা স্ত্রাউস। টাইটানিক দুর্ঘটনার ৪১ বছর আগে বিয়ে হয় এই মার্কিন জুটির। ফ্রান্সে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন ওই দম্পতি। লিভারপুল থেকে তারা টাইটানিকে ওঠেন।
দুর্ঘটনার সময়ে ফার্স্ট ক্লাস কেবিনের যাত্রী হওয়ার দরুণ লাইফ বোটে করে পালানোর সুযোগ তাদের সামনেও ছিল। ইডাকে লাইফবোটে ওঠার জন্য আহ্বানও জানানো হয়। কিন্তু সেখানে তার স্বামীর জন্য জায়গা ছিল না বলে ইডা যেতে অস্বীকার করেন। জানা যায়, এরপর আর পালানোর সুযোগ তাদের কাছে আসেনি। সেই সময়ে ইডা তার স্বামীকে বলেছিলেন, ‘‘আমরা একসঙ্গে যখন এতগুলো বছর কাটিয়েছি, মৃত্যু পর্যন্তও একসঙ্গেই থাকব। ’’


এতদিন বাদে সম্পূর্ণ ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনেন, ইসিডর-ইডার নাতির ছেলে পল কুর্জম্যান। তিনি জানান, ইসিডরের দেহ সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা গিয়েছিল। তবে ইডার দেহ আর পাওয়া যায়নি। সেই সময়ে প্রায় ৬০০০ লোক ইসিডরের শেষকৃত্যে যোগদান করেছিলেন তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। কারণ, ইসিডর ছিলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য। তিনি ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিনিধি ছিলেন।

‘চিরকুট’-এর তৃতীয় অ্যালবাম ‘উধাও’

বাংলা নিউজ ডেস্ক:

খুব শীঘ্রই চলতি বছর অগাস্টে প্রকাশিত হয় জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ‘চিরকুট’-এর তৃতীয় অ্যালবাম ‘উধাও’।

এবার সব শ্রোতার জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে তাদের নতুন ছয় গানের অ্যালবাম। প্রাথমিকভাবে সিডি আকারে এবং নতুন বছরের শুরুতেই মিউজিক ভিডিও আকারে অন্তর্জালে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে এটি।

গ্লিটজের সঙ্গে আলাপকালে চিরকুট ব্যান্ডের পক্ষ থেকে দলটির ভোকাল শারমিন সুলতানা সুমী বলেন, “আমরা জানি, অনেকেই এখনও ‘উধাও’ শোনেননি। ইন্ডাস্ট্রির বাস্তবতার পরিবর্তন ঘটছে। টেকনোলজির সাথে হয়তো শ্রোতার এখনও পুরোপুরি একাত্ম হতে সময় লাগছে। প্রথম প্রথম একটু কষ্ট হবেই। তবে, এবার শ্রোতাদের জন্য অ্যালবামটি সিডি আকারে উন্মুক্ত করছি।”

ব্যস্ততম ব্যান্ডদল ‘চিরকুট’। প্লে-ব্যাক, স্টেজ শো’র পাশাপাশি চলতি মাসেই তারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে এসেছে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান রিজিওনাল কনফারেন্স-এ।

সেখানে মিউজিকের ওপর বেশকিছু কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন তারা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের ভাষায় দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছে স্থানীয় শিশুদের।

সুমী বললেন, “আন্তর্জাতিক আসরে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারার অনুভূতি অন্যরকম। ওরা আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে এ কারণে যে, আমরা নিজেদের ভাষায় গান গেয়ে দেশকে বিশ্বসংগীতের আসরে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি।

তো, ওখানকার নতুন প্রজন্ম নিজ ভাষায় কথা খুব কম বলে, ইংরেজী বলে বা হিন্দি বলে। আমাদের ওপর অনুরোধ ছিল নিজ ভাষায় অবস্থান করেও যেভাবে আমরা সফল হয়েছি সে অভিজ্ঞতা তাদের জানাতে।

একটা গুরুত্বপূর্ণ কনফারেন্সও হয়েছে। ৩০টা দেশের ৬০জন ডেলিগেট আসেন, যারা মিউজিক নিয়ে কাজ করছেন। আমার ধারণাই ছিলো না মিউজিক নিয়ে পৃথিবীতে এত বৈচিত্রময় কাজ হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতাটা নিয়ে আমি লিখবো।”

ব্যাঙ্গালুরু থেকে ফিরেই ঢাকা, বরিশাল, ফরিদপুর ও সিলেটের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালবাম নিয়ে উপস্থিত হচ্ছে ‘চিরকুট’ দল।

৫ ডিসেম্বর ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির আশুলিয়া ক্যাম্পাসে, ৬ ডিসেম্বর জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির সেলিম আল দিন মুক্তমঞ্চে, ৮ ডিসেম্বর-বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের নাসিমুজ্জামান মেহেদি মিলনায়তনে,

১২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পায়রা চত্বরে, ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে, ২০-ডিসেম্বর সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসেও ২১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কনসার্ট করবে দলটি।

‘উধাও’ অ্যালবামটির গানের কথা লিখেছেন সুমী, একটি গান তার সঙ্গে লিখেছেন সাইফুল আকবর খান।

ইয়ন্ডার মিউজিকে না থাকলেও সিডিতে বাড়তি চমক হিসেবে থাকবে চিরকুটের সঙ্গে লাতিন আমেরিকান ব্যান্ড টোয়েন্টিফোর আওয়ার্সের গাওয়া ‘অন্তরে বাহিরে’ গানটি।

‘উধাও’ অ্যালবামের গানগুলোর মাস্টারিং করা হয়েছে যুক্তরাজ্যে। গানগুলোর সংগীতায়োজনে ছিলেন পাভেল আরীন, গিটার-বাঞ্জো-ম্যান্ডোলিন বাজিয়েছেন ইমন চৌধুরী, হারমোনিয়াম, কি–বোর্ড ও মেলোডিকা জাহিদ নিরব, বেজ গিটারে দিদার হাসান এবং কথা, সুর ও কণ্ঠে শারমীন সুলতানা সুমী।

প্লে-ব্যাকে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও চিরকুট মনে করে অ্যালবামে ব্যান্ড হিসেবে তাদের নিজস্বতা খুঁজে পাবেন শ্রোতা।

“সিনেমায় যেমন ডিরেক্টরের পছন্দ মতো গান করতে হয় অ্যালবামে তেমন নয়, এখানে আমরা অনেক স্বাধীন। নিজেদের মতো কিছু গান করেছি। যদি দু’একজন ভালোবেসে শোনে আমাদের গান তাতেই আমরা সার্থক। সবাই শুনলে তো কথাই নেই...”-বললেন সুমী।

৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচিত হবেন ঢাকা উত্তরের নতুন মেয়র

বাংলা নিউজ ডেস্ক:
আনিসুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের মেয়র পদ ১ ডিসেম্বর থেকে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল রবিবারের তারিখে আজ সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। ফলে আইন অনুযায়ী এখন ৯০ দিনের মধ্যে এই পদে নির্বাচন হবে।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী মেয়র বা কাউন্সিলর পর শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ঢাকা উত্তরের নির্বাচন হওয়ার কথা। 

সকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে, ‘মেয়র মারা গেছেন। কিন্তু তার আসনটি তখনই শূন্য ঘোষণা হবে যখন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে এবং আমরা তা গতকালই করে দিয়েছি।’

চার মাস রোগে ভুগে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। তিনি ২০১৫ সালের ১০ মে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ফলে করপোরেশনের মেয়াদ আছে আরও প্রায় আড়াই বছর।

রবিবার নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন পেলেই তারা ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। ২০১৫ সালের ভোট রাজনৈতিক দলের প্রতীকে না হলেও এবার ভোট দলীয় প্রতীকে হবে বলেও জানান হেলালুদ্দীন।

গত আগস্টের শুরুতে মেয়র যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরের মাসের শুরুর দিকে ২১ নং ওয়ার্ড কমিশনার ওসমান গণিকে প্যানেল মেয়র হিসেবে নিয়োগ দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুই ভাগ করার পর প্রথম নির্বাচনে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর থেকে মেয়র নির্বাচিত হন আনিসুল হক। তাকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থন দিয়েছিল। আড়াই বছরে তার নেয়া নানা উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে নগরবাসীর মধ্যে।

এরই মধ্যে আনিসুলের মৃত্যুতে পরবর্তী মেয়র কে হবেন, সে নিয়ে আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি নির্বাচনে আগ্রহের কথা জানাচ্ছেন। তবে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী বাছাই শুরু করেনি।

খাঁচায় বন্দি তোতাপাখি হবেন না

বাংলা নিউজ ডেস্ক:
অবৈধ সরকারের অশুভ ইচ্ছাপূরণে ‘খাঁচায় বন্দি তোতাপাখি’ না হতে সিইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন,আগাম নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সুর মেলানো প্রমাণ করে,তিনি সরকার-নির্মিত সেই পুরোনো পথ ধরেই হাঁটবেন।

সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘গত দুই-তিন আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আওয়ামী লীগ। সিইসি সমস্বরে বলেছেন, সরকার চাইলে আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি। আমরা বার বার বলেছি, বর্তমান সিইসি আওয়ামী সরকারের কৃপাধন্য।’

তিনি বলেন, ‘একটি স্বাধীন-সার্বভৌম নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, চাকরি রক্ষার্থে বর্তমান সিইসি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়টি আমলে নেবেন না।’

বিএনপির এই মুখপাত্র আওয়ামী সরকারের অশুভ ইচ্ছাপূরণের ‘খাঁচায় বন্দি তোতাপাখি’ না হওয়ার জন্যও সিইসির প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত আর বড় বড় বুলির মায়াজাল সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের ঘাতক প্রতিহিংসাপরায়ণ শেখ হাসিনা ও তার সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না। কারণ, জনগণের ললাটে একটি বিষাক্ত কাঁটার নাম আওয়ামী লীগ।’

রিজভী এসময় সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অপুকে তালাকনামা পাঠালেন সুপারস্টার শাকিব

বাংলা নিউজ ডেস্ক:

গত কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল ডিভোর্স হতে পারে শোবিজ জগতের এই সময়ের আলোচিত শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস জুটির। শেষমেষ বোধহয় সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো। সোমবার স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স পেপার পাঠিয়েছেন স্বামী শাকিব খান।

ইন্ডিপেনডেন্ট ও সময় টেলিভিশনসহ বেসরকারি বেশ কয়েকটি চ্যানেলের স্ক্রলে এমন খবরই প্রচার করা হচ্ছে।

গত ১৭ নভেম্বর থেকেই এই দুই তারকা জুটির ডিভোর্সের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। গুঞ্জনটির জন্ম দিয়েছিলেন শাকিব খান নিজেই। আগের দিন ১৬ নভেম্বর ছেলে জয়কে কাজের মেয়ে শেলীর কাছে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে কলকাতা চিকিৎসা করাতে যান অপু বিশ্বাস। থাইল্যান্ড থেকে ফিরে পরের দিন শুক্রবার ছেলেকে দেখতে অপুর নিকেতনের বাসায় যান শাকিব। কিন্তু বাইরে থেকে তালা দেয়া থাকায় ছেলের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি কিং খান।

ওই ঘটনার পরেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন শাকিব। সাংবাদিকদের বলেন, ‘মা হিসেবে অপু বিগ জিরো। সন্তানের প্রতি যদি মায়া থাকতো তাহলে কাজের মেয়ের কাছে তাকে তালবদ্ধ অবস্থায় রেখে যেত না। তার বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’


তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি আসলে কী, সেটি সেদিন পরিষ্কার করে জানাননি নায়ক। কিন্তু সেটি যে ডিভোর্সের মতো কিছুই হতে পারে তা অনুমান করেছিলেন অনেকেই। আজ অপুকে ডিভোর্স পেপার পাঠানোর মধ্যদিয়ে সেই অনুমানই সত্যি হয়ে গেল।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করার পর প্রায় নয় বছর তা গোপন করে রাখেন শাকিব-অপু। এরই মধ্যে তাদের কোল জুড়ে আসে ছেলে আব্রাম খান জয়। তখনো বিয়ের কথা লুকিয়ে রাখেন এই তারকা দম্পতি। ছেলের জন্ম দিতে ২০১৬ সালের শুরুর দিকে হঠাৎ উধাও হয়ে যান অপু। ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় জয়ের। এরপর কেটে যায় আরো সাত মাস।

গত ১০ এপ্রিল সাত মাসের ছেলে জয়কে নিয়ে বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরে হঠাৎ হাজির হন অপু। সরাসরি সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকারে ছেলেকে কোলে নিয়ে অপু প্রকাশ করেন তাদের বিয়ের কথা। ক্যারিয়ারের কথা ভেবে শাকিব খানই তাদের বিয়ে ও ছেলের কথা লুকিয়ে রাখতে উদ্বুদ্ধ করেন বলে জানান অপু। কিন্তু ছেলেকে আর লুকিয়ে রাখতে তার ভালো লাগছিল না।



এ ঘটনায় শাকিব প্রথমে উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া দেখালেও বিয়ে ও ছেলের কথা স্বীকার করে নেন। তবে ক্ষুব্ধ হন অপুর ওপর। যদিও তিনি পরে জানান, স্ত্রী অপু ও ছেলে জয়কে নিয়ে সুখের সংসার করতে চান তিনি। কিন্তু এরপর কেটে গেছে আরো সাত মাস। এখনো এক ছাদের নিচে থাকা হয়নি শাকিব-অপুর।

এমনকি গত ২৭ সেপ্টেম্বর ছেলের প্রথম জন্মদিন আলাদাভাবে উদযাপন করেন দুজন। গুলশানের একটি হোটেলে ছেলের জন্মদিনের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অপু। অন্যদিকে শাকিবের আয়োজন ছিল গুলশানের আজাদ মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দুঃস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে কম্বোডিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


বাংলা নিউজ ডেস্ক:
অমীমাংসিত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দমন-পীড়নের কারণে সৃষ্ট রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে কম্বোডিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে তাদের ঘরে ফিরতে পারে, সেজন্য মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের কাছেও আমি সহযোগিতা চাইছি, যাতে এ সঙ্কটের একটি টেকসই সমাধানে আমরা পৌঁছাতে পারি।’
আজ নমপেনে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে শেখ হাসিনা একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সাম্প্রতিক কিছু আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। দুই পক্ষই সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের কথা বলেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়েও কথা বলেছি, যা আমাদের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বিনষ্টের হুমকি তৈরি করছে।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশকে এখন ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বইতে হচ্ছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭ লাখ মানুষ মিয়ানমারে সাম্প্রতিক সহিংসতার কারণে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়েও আলোচনা করেছেন, যা কিনা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই মর্মে হুন সেন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার উভয়েই এই রোহিঙ্গা শরণার্র্থীদের সুশৃঙ্খলভাবে নিরাপদে স্বদেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একযোগে কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘দেশে ১৬ কোটি মানুষ থাকার পরেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদান করে এবং তাদের বিষয়টি নিজেদের কাঁধে তুলে নেয়ায় আমরা তাদের (বাংলাদেশের) প্রশংসা করছি।’
কম্বোডিয়াকে বাংলাদেশের নিকটতম আঞ্চলিক প্রতিবেশি আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই দুটি দেশ একই রকম শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের প্রত্যাশী।
তিনি বলেন, আমরা অনেক আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক ফোরামে পরস্পরকে নিবিঢ়ভাবে সহযোগিতা করে থাকি বিশেষ করে এআরএফ, আসেম, এসিডি এবং জাতিসংঘে।
কম্বোডিয়ায় তার সফরকে অত্যন্ত ফলপ্রসু আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার এবং প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আলোচনার ফলে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ


এ বিষয়ের সব সংবাদ

এশিয়া


এ বিষয়ের সব সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য


এ বিষয়ের সব সংবাদ

আমেরিকা


এ বিষয়ের সব সংবাদ

ইউরোপ


এ বিষয়ের সব সংবাদ

আফ্রিকা


এ বিষয়ের সব সংবাদ

খেলাধুলা


এ বিষয়ের সব সংবাদ

বিনোদন


এ বিষয়ের সব সংবাদ

ভিন্ন রকম


এ বিষয়ের সব সংবাদ

প্রযুক্তি


এ বিষয়ের সব সংবাদ

অর্থনীতি


এ বিষয়ের সব সংবাদ

শিল্প ও সাহিত্য


এ বিষয়ের সব সংবাদ