ইয়েমেনে সরকারি সেনা ও হুথি যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষে ১২০ জন নিহত হয়েছে।
২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইয়েমেনের সাবেক
একনায়ক আলী আব্দুলাহ সালেহকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যে বিপ্লব হয়েছিল তাতে হুথি
আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
আজ (মঙ্গলবার) আমরান প্রদেশের ডেপুটি
গভর্ণর আহমেদ আল বেকরি বলেছেন, সোমবার প্রদেশটিতে দু’পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড
সংঘর্ষ হয় এবং এতে ১০০ জন হুথি যোদ্ধা এবং সরকারি বাহিনীর ২০ জন নিহত হয়।
তিনি আরো বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় দু’পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে
সংঘর্ষ শেষ হয়।
স্থানীয় সুত্রগুলোর মতে, সরকারি বাহিনী
জঙ্গিবিমান নিয়ে আমরান শহরের কাছে হুথি যোদ্ধাদেরকে একটি কৌশলগত এলাকা
থেকে বিতারণের চেষ্টা করলে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
এদিকে একজন হুথি মুখপাত্র বিমান বাহিনীর এই হস্তক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন এবং এর পরিণতির ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছেন।
হুথি যোদ্ধারা ইয়েমেনের কেন্দ্রীয়
সরকারের বিভিন্ন বৈষম্যমূলক নীতির প্রতিবাদে অনেক বছর থেকে আন্দোলন করে
আসছেন। শিয়া হুথি মুসলমানরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং ধর্মীয়ভাবে কেন্দ্রীয়
সরকারের বৈষম্যের স্বীকার। এমনকি তারা সাধারণ নাগরিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত
হচ্ছেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইয়েমেন সরকার রাজনৈতিক
সংস্কারের অংশ হিসেবে এই দরিদ্র আরব রাষ্ট্র্র্রটিকে ফেডারেশন হিসেবে ঘোষনা
করে। এর আওতায় দেশটিকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু
উত্তরাঞ্চলীয় হুথি যোদ্ধারা এবং দক্ষিণের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সরকারের এই
পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে। তাদের দাবি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত
হলে ইয়েমেনে ধনী ও গরীব অধ্যুষিত অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে পড়বে।
(রেডিও তেহরান)





