করাচি বিমানবন্দরে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর টানা ২৮ ঘণ্টার তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানের মাথায় এসব লাশ উদ্ধার হলো। কোল্ড স্টোরেজের তিনটি দেয়াল ভেঙে উদ্ধার কর্মীরা লাশগুলো বের করে আনেন। এ কাজে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করেছেন। নিহতরা গোলাগুলি থেকে রক্ষা পেতে কোল্ড স্টোরেজের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছিল।
এদিকে, সিন্ধু প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. সগীর আহমাদ জানিয়েছেন, উদ্ধারের পরপরই ডিএনএ টেস্টের জন্য এসব লাশ দ্রুতগতিতে জিন্নাহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের পরিচয় বের করার পর স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। তিনি জানান, লাশগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে চেনার উপায় নেই। সে কারণে তাদের চিহ্নিত করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। ড. আহমাদ জানান, বিমানবন্দর নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
(-রেডিও তেহরান)





