ফ্রান্সভিত্তিক পুলিশের
আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সহযোগিতা চাইতে নারায়ণগঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার পুলিশ
সদর দপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাইনূর
রহমান।
নূর হোসেনকে গত ২৭ এপ্রিল কাউন্সিলর অপহরণ এবং তিন দিন পর লাশ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জে দেখা গেলেও তারপর থেকে অপ্রকাশ্য নূর হোসেন।
সাত খুনের পর আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই নেতা ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে র্যাব বলে আসছে। নূর হোসেন ( ফাইল ছবি)
নূর হোসেনের নামে এক দশক আগেও ইন্টারপোলের নোটিস ছিল। ওই সময়ও বিদেশি পালিয়েছিলেন তিনি। তবে দেশে ফিরে ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে তিনি কাউন্সিলর হওয়ার পর পুলিশ তা নিয়ে আর এগোয়নি।
সাত খুনের পর নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, নূর হোসেন র্যাবকে ৬ কোটি টাকা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
এর এক সপ্তাহ পর নূর হোসেনের সিদ্ধিরগঞ্জের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। তবে তাকে পাওয়া যায়নি। আদালতের নির্দেশে তার অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করেছে পুলিশ, বাতিল করা হয়েছে তার অস্ত্রের লাইসেন্স।
সাত খুনের মামলায় দ্বিতীয় আসামি হাজি ইয়াসিন মিয়াও দেশের বাইরে পালিয়ে আছেন বলে গণমাধ্যমের খবর।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার করা হলেও মামলার কোনো আসামিকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ।
নূর হোসেনকে গত ২৭ এপ্রিল কাউন্সিলর অপহরণ এবং তিন দিন পর লাশ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জে দেখা গেলেও তারপর থেকে অপ্রকাশ্য নূর হোসেন।
সাত খুনের পর আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই নেতা ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে র্যাব বলে আসছে। নূর হোসেন ( ফাইল ছবি)
নূর হোসেনের নামে এক দশক আগেও ইন্টারপোলের নোটিস ছিল। ওই সময়ও বিদেশি পালিয়েছিলেন তিনি। তবে দেশে ফিরে ক্ষমতাসীন দলের নেতা হিসেবে তিনি কাউন্সিলর হওয়ার পর পুলিশ তা নিয়ে আর এগোয়নি।
সাত খুনের পর নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, নূর হোসেন র্যাবকে ৬ কোটি টাকা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
এর এক সপ্তাহ পর নূর হোসেনের সিদ্ধিরগঞ্জের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। তবে তাকে পাওয়া যায়নি। আদালতের নির্দেশে তার অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করেছে পুলিশ, বাতিল করা হয়েছে তার অস্ত্রের লাইসেন্স।
সাত খুনের মামলায় দ্বিতীয় আসামি হাজি ইয়াসিন মিয়াও দেশের বাইরে পালিয়ে আছেন বলে গণমাধ্যমের খবর।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার করা হলেও মামলার কোনো আসামিকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ।





