![]() |
| একরামুল হক |
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হককে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদ চৌধুরী ওরফে জিহাদের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল আমিন এ আদেশ দেন। এর আগে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ আদালতে জিহাদকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, রোববার একই আদালত একরাম হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দেখানো ৯ জনের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের বারাহিপুর এলাকা থেকে ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জিহাদকে আটক করা হয়।
আগের দিন ঢাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটজনকে আটক করে র্যাব। এ ছাড়া ওই দিন পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ফেনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল্লাহিল মাহমুদ শিবলু।
ঢাকা থেকে আটকরা হলেন- ফেনী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়লা জেসমিন বড়মণির ছেলে আবিদ, গাজী সালাম মাহমুদ, জাহিদ, সজল উদ্দিন শিপন, সাজ্জাদুল ইসলাম শিফাত, চৌধুরী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, জাহিদুল হাসান সৌরভ ও হেলাল উদ্দিন।
![]() |
| জাহিদ চৌধুরী |
উল্লেখ্য, গত ২০ মে ফেনী শহরে ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরামকে দিনদুপুরে প্রথমে গুলি করে ও পরে গাড়িতে আগুন দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে নিহত একরামুল হকের ভাই রেজাউল হক জসিম বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় বিএনপির নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
তবে শনিবার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছে, আওয়ামী লীগ নেতা জিহাদ চৌধুরীর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক একরাম খুন হয়েছেন। আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।






