চীন এবং রাশিয়ার মধ্যে ৪৯টি চুক্তি সই
হয়েছে। এসব চুক্তির ফলে দেশ দু টির মধ্যে জ্বালানি, পরিবহন এবং অবকাঠামো
খাতে সহযোগিতা অনেক বেড়ে যাবে।
প্রেসিডেন্ট পুতিনের এ সফরকে চীন ও
রাশিয়ার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব এবং কৌশলগত সহযোগিতার নতুন অধ্যায়
হিসেবে উল্লেখ করেছে ক্রেমলিন। পুতিন নিজেই বলেছেন, চীন ও তার দেশের মধ্যে
সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
চীন সফররত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির
পুতিন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এসব চুক্তিতে সই করেছেন। তবে, কয়েকশ’
কোটি ডলারের যুগান্তকারী গ্যাস চুক্তি এখনো সই হয় নি; এ নিয়ে আরো কিছু
সমঝোতার প্রয়োজন বলে জানা গেছে। তবে, দু পক্ষই আশা করছে গ্যাস চুক্তি নিয়ে
মস্কো ও বেইজিং সমঝোতায় পৌঁছাবে এবং চুক্তি হয়ে যাবে।
ইউক্রেন ইস্যুতে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের
সঙ্গে যখন রাশিয়ার মারাত্মক টানাপড়েন চলছে এবং মস্কো গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে
দেয়ার হুমকি দিয়েছে তখন চীন ও রাশিয়ার মধ্যে গ্যাস চুক্তি হতে যাচ্ছে।
একইসঙ্গে রাশিয়া তার বিশাল গ্যাস ভাণ্ডারের বিকল্প বাজার খুঁজে বের করার
জন্য এশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েছে।





