![]() |
| জেনারেল খলিফা হাফতার |
ইরানের ইংরেজি নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভিকে
দেয়া সাক্ষাৎকারে এ সব কথা বলেছেন স্টপইমপেরিয়ালিজম ডটকম নামের ওয়েব সাইটের
প্রতিষ্ঠাতা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক এরিখ ড্রেইটসার।
ফোনে দেয়া এ সাক্ষাৎকারে এরিখ ড্রেইটসার আরো বলেন, "লিবিয়ার অপারেশনে গোড়া থেকেই জড়িত ছিল সিআইএ। সত্যি বলতে কী, মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রিগ্যানের আমল থেকেই সিআইএ লিবিয়ায় তৎপর রয়েছে।" এর কারণ তুলে ধরতে যেয়ে তিনি বলেন, ১৯৮০-এর দশকে সিআইএ’কে দিয়ে গাদ্দাফিকে উৎখাতের অনেকবার চেষ্টা করেছে রিগ্যান প্রশাসন।
ড্রেইটসার জানান, এ সব তৎপরতার সময়ে লিবিয়ায় গোপন নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং সে সময়কার সিআইএ’র একজন প্রধান এজেন্ট হলেন জেনারেল হাফতার। তিনিই এখন বেনগাজি শহরে লিবিয়ার ন্যাশনাল আর্মির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, গাদ্দাফির আমলে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন হাফতার। হাফতার প্রায় দুই দশক আমেরিকায় কাটিয়েছেন এবং মার্কিন নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এরিখ ড্রেইটসার জানান, ২০১১ সালে অস্থিতিশীলতা চলাকালে লিবিয়ায় তিনি ফিরে আসেন এবং সে সময়ে গাদ্দাফির লিবিয় আরব জমহুরি সরকারকে উৎখাত করা হয়। তিনি জানান, আমেরিকা ও ন্যাটো যখন লিবিয়ার বোমা হামলা চালাচ্ছিল ঠিক সে মুহূর্তে নিজ এজেন্টকে লিবিয়ায় ফিরিয়ে আনে সিআইএ।
ফোনে দেয়া এ সাক্ষাৎকারে এরিখ ড্রেইটসার আরো বলেন, "লিবিয়ার অপারেশনে গোড়া থেকেই জড়িত ছিল সিআইএ। সত্যি বলতে কী, মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রিগ্যানের আমল থেকেই সিআইএ লিবিয়ায় তৎপর রয়েছে।" এর কারণ তুলে ধরতে যেয়ে তিনি বলেন, ১৯৮০-এর দশকে সিআইএ’কে দিয়ে গাদ্দাফিকে উৎখাতের অনেকবার চেষ্টা করেছে রিগ্যান প্রশাসন।
ড্রেইটসার জানান, এ সব তৎপরতার সময়ে লিবিয়ায় গোপন নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং সে সময়কার সিআইএ’র একজন প্রধান এজেন্ট হলেন জেনারেল হাফতার। তিনিই এখন বেনগাজি শহরে লিবিয়ার ন্যাশনাল আর্মির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, গাদ্দাফির আমলে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন হাফতার। হাফতার প্রায় দুই দশক আমেরিকায় কাটিয়েছেন এবং মার্কিন নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এরিখ ড্রেইটসার জানান, ২০১১ সালে অস্থিতিশীলতা চলাকালে লিবিয়ায় তিনি ফিরে আসেন এবং সে সময়ে গাদ্দাফির লিবিয় আরব জমহুরি সরকারকে উৎখাত করা হয়। তিনি জানান, আমেরিকা ও ন্যাটো যখন লিবিয়ার বোমা হামলা চালাচ্ছিল ঠিক সে মুহূর্তে নিজ এজেন্টকে লিবিয়ায় ফিরিয়ে আনে সিআইএ।
সুত্র : রেডিও তেহরান





