ম্যাচের ১১ মিনিটেই গোল! তাও আবার ব্রাজিলের জালে! মার্সেলের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল খেল ব্রাজিল! শুরুটা হলো নড়বড়ে। ক্রোয়েশিয়া নয়, তখন ব্রাজিলের সামনে বিরাট প্রতিপক্ষ—চাপ। সেই চাপ বাড়ল ২৭ মিনিটে মডরিচকে ফাউল করে নেইমারের হলুদ কার্ড দেখার পর। যেটি কিনা এবারের বিশ্বকাপে প্রথম হলুদ কার্ড!
ঠিক এর পরেই ম্যাচের গল্পটা গেল পাল্টে। কার্ড দেখে যেন আরও চাঙা হয়ে উঠলেন নেইমার। ঠিক এর দুই মিনিট পর অর্থাত্ ২৯ মিনিটে ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ডের গোলেই সমতায় ফিরল ব্রাজিল। নেইমারের শটটি পোস্টে লেগে ক্রোয়েটদের জালে জড়াল। একটু এদিক-ওদিক হলেই আক্ষেপে পুড়তে হতো সেলেসাওদের।
৬৯ মিনিটে বক্সে ফ্রেডকে ফাউল করে বসলেন দেয়ান লোভরেন। সঙ্গে সঙ্গে রেফারির বাঁশি—পেনাল্টি! পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করে নিলেন নেইমার। ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক স্তিপে প্লেতিকোসা দারুণ চেষ্টা চালিয়েও নেইমারের শটটি সেভ করতে পারলেন না। নেইমারের জোড়া গোলে হলুদের ঢেউ উঠল গোটা স্টেডিয়ামে। সেই ঢেউ আঁচড়ে পড়ল দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকদের মনে। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে অস্কারের গোলের পর ব্রাজিল এ বার্তা দিয়ে রাখল—হেক্সা মিশনে নেমেছে সেলেসাওরা। পর্বতপ্রমাণ চাপকে জয় করেই ৩-১ ব্যবধানে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ব্রাজিল।






