বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের নির্দেশেই জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ঢাকা সফরকালে হরতাল হতে পারেÑ এই আশঙ্কা থেকেই প্রতিবেশী দেশের পরামর্শে যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় স্থগিত করা হয়েছে।
গতকাল জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামক সংগঠনের উদ্যোগে ‘আতঙ্কের জনপদ : বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন হান্নান শাহ।
আয়োজক সংগঠনের সভানেত্রী ফরিদা মনি শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়–য়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের উপদেষ্টা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, বিএনপির সহকারী দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মো: হানিফ প্রমুখ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ বলেন, শুনেছিলাম আজ (মঙ্গলবার) একটা রায় আছে। সে জন্য সকাল থেকে রণ সাজে সজ্জিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কর্তৃত্ব দেখিয়েছে। পরে শুনলাম রায় হচ্ছে না। আমার এক হিতাকাক্সী বন্ধু বলেছেন, নয়াদিল্লি থেকে খবর এসেছে আজ রায় দেয়া যাবে না। কারণ কাল (বুধবার) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসবেন।
রায়ের প্রতিবাদে যদি হরতাল হয়, তাহলে সরকারের সাথে প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বের বেলুন ফুটো হয়ে যাবে। তাহলে কী বুঝলেন? বাংলাদেশের সব কিছু এখন বাইরের প্রতিবেশী দেশ থেকে নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে। সাউথ ব্লক থেকে।
১৯ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত ছিল গতকাল।
তবে নিজামীর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় অপেমাণ রাখে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র নেতা হান্নান শাহ উল্লিখিত মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তে অহরহ গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয়, কাঁটাতারের মধ্যে ফালানীর লাশ ঝুলে থাকে, প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দারা এসে ঢাকা থেকে আমাদের লোকজনকে তুলে নিয়ে যায়Ñ এরকম অবস্থার মধ্যে আমাদের সার্বভৌমত্ব আছে কি? নিরপে সরকারের অধীনে নির্বাচনে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, এক দিকে আমরা সংলাপের কথা বলছি। সরকার বলছে, না সংলাপ নয়। অন্য দিকে রাষ্ট্রপতি জাতিসঙ্ঘে গিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাই বিএনপির উচিত আর সংলাপের কথা না বলা। এখন এমন আন্দোলন করতে হবে, একদিন সরকারই সংলাপের জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠবে। সরকারের উদ্দেশে হান্নান শাহ বলেন, এখনো সময় আছে, দ্রুত নির্বাচন দিন। নির্বাচন না দিলে আপনাদের বঙ্গোপসাগর ও পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিতে হবে। এর পরিণতি ভালো হবে না।
গতকাল জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামক সংগঠনের উদ্যোগে ‘আতঙ্কের জনপদ : বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন হান্নান শাহ।
আয়োজক সংগঠনের সভানেত্রী ফরিদা মনি শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়–য়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের উপদেষ্টা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, বিএনপির সহকারী দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মো: হানিফ প্রমুখ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ বলেন, শুনেছিলাম আজ (মঙ্গলবার) একটা রায় আছে। সে জন্য সকাল থেকে রণ সাজে সজ্জিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কর্তৃত্ব দেখিয়েছে। পরে শুনলাম রায় হচ্ছে না। আমার এক হিতাকাক্সী বন্ধু বলেছেন, নয়াদিল্লি থেকে খবর এসেছে আজ রায় দেয়া যাবে না। কারণ কাল (বুধবার) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসবেন।
রায়ের প্রতিবাদে যদি হরতাল হয়, তাহলে সরকারের সাথে প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বের বেলুন ফুটো হয়ে যাবে। তাহলে কী বুঝলেন? বাংলাদেশের সব কিছু এখন বাইরের প্রতিবেশী দেশ থেকে নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে। সাউথ ব্লক থেকে।
১৯ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত ছিল গতকাল।
তবে নিজামীর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় অপেমাণ রাখে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র নেতা হান্নান শাহ উল্লিখিত মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সীমান্তে অহরহ গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয়, কাঁটাতারের মধ্যে ফালানীর লাশ ঝুলে থাকে, প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দারা এসে ঢাকা থেকে আমাদের লোকজনকে তুলে নিয়ে যায়Ñ এরকম অবস্থার মধ্যে আমাদের সার্বভৌমত্ব আছে কি? নিরপে সরকারের অধীনে নির্বাচনে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, এক দিকে আমরা সংলাপের কথা বলছি। সরকার বলছে, না সংলাপ নয়। অন্য দিকে রাষ্ট্রপতি জাতিসঙ্ঘে গিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাই বিএনপির উচিত আর সংলাপের কথা না বলা। এখন এমন আন্দোলন করতে হবে, একদিন সরকারই সংলাপের জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠবে। সরকারের উদ্দেশে হান্নান শাহ বলেন, এখনো সময় আছে, দ্রুত নির্বাচন দিন। নির্বাচন না দিলে আপনাদের বঙ্গোপসাগর ও পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিতে হবে। এর পরিণতি ভালো হবে না।





