ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শাহীনুর আলম আলম হত্যা ঘটনায় র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর এ জেড এম সাকিব সিদ্দিকীসহ ক্যাম্পের ৯ জন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের ছাড়া আরো দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহারের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন নিহত শাহনুরের ভাই মেহেদী হাসান। বিজ্ঞ আদালত আগামী ৪ জুন মামলাটির অধিকতর শুনানি এবং আদেশের তারিখ ধার্য করেছেন।
মামলার অন্যা আসামি হলেন র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ এনামুল হক। এছাড়া নাম উল্লেখ না করে র্যাবের ৭ জন সদস্যকে আসামি করা হয়। র্যাবের ৯ জন ছাড়াও নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগরের মৃত মন্তাজ মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৮) ও নবীনগরের মৃত শরাফত আলীর ছেলে আবু তাহের মিয়াকে (৪৫) আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, নবীনগর উপজেলা সদরে চিরকুট পাঠিয়ে একাধিক বাড়িতে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন বাড়িতে আগুন দেয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের একটি দল গত ২৯ এপ্রিল রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বগডহর গ্রামের মহিউদ্দিন ওরফে মদনকে (৪১) গ্রেফতার করে। পরে মদনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বগডহর গ্রামের রহিছ মেম্বারের ছেলে শাহীনুর আলমকে (৪৩) গ্রেফতার করে। পরদিন বুধবার দুপুরে তাদেরকে নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার নবীনগর থানার পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। জেল হাজতে শাহীনূর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গত ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে, ওইদিনই তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শাহীনূর ৬ মে রাত ৮টার দিকে মারা যান।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা কারাগারের সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, শাহীনূরকে জেল হাজতে গ্রহণ করার সময় তার শরীরে বেশ ‘আউট ইনজুরি’ ছিল। একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাকে ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার আরো খারাপ হলে, ওইদিনই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই ৬ মে রাতে তিনি মারা যান।
মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে র্যাবের নির্যাতনে শাহনরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। রোববার এই অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার সাকিব সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
মামলার অন্যা আসামি হলেন র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ এনামুল হক। এছাড়া নাম উল্লেখ না করে র্যাবের ৭ জন সদস্যকে আসামি করা হয়। র্যাবের ৯ জন ছাড়াও নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগরের মৃত মন্তাজ মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৮) ও নবীনগরের মৃত শরাফত আলীর ছেলে আবু তাহের মিয়াকে (৪৫) আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, নবীনগর উপজেলা সদরে চিরকুট পাঠিয়ে একাধিক বাড়িতে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন বাড়িতে আগুন দেয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের একটি দল গত ২৯ এপ্রিল রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বগডহর গ্রামের মহিউদ্দিন ওরফে মদনকে (৪১) গ্রেফতার করে। পরে মদনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বগডহর গ্রামের রহিছ মেম্বারের ছেলে শাহীনুর আলমকে (৪৩) গ্রেফতার করে। পরদিন বুধবার দুপুরে তাদেরকে নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার নবীনগর থানার পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। জেল হাজতে শাহীনূর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গত ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে, ওইদিনই তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শাহীনূর ৬ মে রাত ৮টার দিকে মারা যান।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা কারাগারের সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, শাহীনূরকে জেল হাজতে গ্রহণ করার সময় তার শরীরে বেশ ‘আউট ইনজুরি’ ছিল। একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাকে ৪ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার আরো খারাপ হলে, ওইদিনই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে প্রেরণ করা হয়। সেখানেই ৬ মে রাতে তিনি মারা যান।
মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে র্যাবের নির্যাতনে শাহনরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। রোববার এই অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে র্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার সাকিব সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।





