‘আল কায়েদা’ যুক্তরাষ্ট্রেরই সৃষ্টি বলে জানালেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। সম্প্রতি ফক্স টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি এই গোপন বার্তা ফাঁস করলেন। আফগানিস্তানে তত্কালীন সোভিয়েত বাহিনীকে পরাস্ত করতেই যুক্তরাষ্ট্র আল কায়েদা বাহিনী সৃষ্টি করেছে বলে হিলারি ক্লিনটনের করা এমন মন্তব্যের পর খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে।
.
১৯৮০ থেকে ১৯৯৪—এই সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫৩ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল। আর এই পুরো প্রকল্পটি নিয়ন্ত্রণ করা হতো পাকিস্তানভিত্তিক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।
ওই প্রকল্পের আওতায় আফগানিস্তানের বাচ্চাদের পাঠ্যপুস্তকে সন্ত্রাস ও মারণাস্ত্র সম্পর্কিত অনেক প্রবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করলে ভালো হবে এমন তথ্যও অনায়াসে দেয়া হয়েছিল সে সময় পাঠ্যপুস্তকগুলোতে।
এছাড়া ইংরেজি বর্ণমালা পরিচয়ে বিভিন্ন উসকানিমূলক শব্দ ও বাক্য নিয়ম করে পড়ানো হতো। যেমন ইংরেজি ‘টি’তে ‘টুফাং (বন্দুক-জাবেদ বন্দুক হাতে মুজাহিদিনে যুক্ত হয়)’ এবং ‘জে’তে জিহাদ শেখানো হতো। এমনকি গণনা শেখানোর সময় ৫ বন্দুক + ৫ বন্দুক = ১০ বন্দুক শেখানো হতো।
.
১৯৮০ থেকে ১৯৯৪—এই সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে একটি সশস্ত্র বাহিনী তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫৩ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল। আর এই পুরো প্রকল্পটি নিয়ন্ত্রণ করা হতো পাকিস্তানভিত্তিক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।
ওই প্রকল্পের আওতায় আফগানিস্তানের বাচ্চাদের পাঠ্যপুস্তকে সন্ত্রাস ও মারণাস্ত্র সম্পর্কিত অনেক প্রবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করলে ভালো হবে এমন তথ্যও অনায়াসে দেয়া হয়েছিল সে সময় পাঠ্যপুস্তকগুলোতে।
এছাড়া ইংরেজি বর্ণমালা পরিচয়ে বিভিন্ন উসকানিমূলক শব্দ ও বাক্য নিয়ম করে পড়ানো হতো। যেমন ইংরেজি ‘টি’তে ‘টুফাং (বন্দুক-জাবেদ বন্দুক হাতে মুজাহিদিনে যুক্ত হয়)’ এবং ‘জে’তে জিহাদ শেখানো হতো। এমনকি গণনা শেখানোর সময় ৫ বন্দুক + ৫ বন্দুক = ১০ বন্দুক শেখানো হতো।





