![]() |
| তেলেঙ্গানা রাজ্য |
সীমান্ধ্র নামে বিভাজিত অপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চন্দ্রবাবু নাইডু আগামী ৮ জুন শপথ নেবেন৷
১৯৬০ সাল থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ প্রতিবাদ, আন্দোলন এবং আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ভারতের ২৯তম রাজ্য হিসেবে ভূমিষ্ঠ হলো তেলেঙ্গানা, যার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি, সংক্ষেপে টিআরএস দলের সর্বাধিনায়ক কে চন্দ্রশেখর রাও৷
সদ্য শেষ হওয়া সংসদীয় নির্বাচনের সঙ্গে তেলেঙ্গানা বিধানসভার ১১৯টি আসনেও ভোট হয়, তাতে টিআরএস পার্টি পায় ৬৩টি আসন৷ প্রধান নির্বাচনি ইস্যু ছিল অন্ধ্র বিভাজন৷ সংসদীয় নির্বাচনের আগেই অন্ধ্র প্রদেশ বিভাজনের সিলমোহর দিয়েছিল সাবেক মনমোহন সিং-এর কংগ্রেস জোট সরকার৷ ঠিক হয়েছিল ২০১৪ সালের অন্ধ্র প্রদেশ পুনর্গঠন আইন অনুসারে অন্ধ্র প্রদেশ ভেঙে গঠিত হবে দুটি পৃথক রাজ্য, তেলেঙ্গানা আর সীমান্ধ্র৷
চন্দ্রশেখর রাও এখন তেলেঙ্গানা রাজ্যের ৪ কোটি লোকের ভাগ্যনিয়ন্তা৷ শপথ গ্রহণের পর তিনি বলেন দুর্নীতিমুক্ত, গরিববান্ধব এক মডেল রাজ্য হিসেবে তেলেঙ্গানাকে গড়ে তোলাই তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ৷ ইতিমধ্যেই তিনি দলিতদের জন্য ঘোষণা করেছেন এক গুচ্ছ কল্যাণ প্রকল্প৷ চলতি আর্থিক বছরের বাজেটে তিনি ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ করবেন দলিত সম্প্রদায়ের কল্যাণে৷ যেমন, দলিত পরিবারদের দেয়া হবে তিন একর করে কৃষি জমি, সেচের সুবিধাসহ৷
পৃথক তেলেঙ্গানা গঠনে গোটা রাজ্যজুড়ে আনন্দের প্লাবন দেখা যায়৷ একদিন আগে থেকেই উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে দুই রাজ্যের যুগ্ম রাজধানী হায়দ্রাবাদ৷ যদিও সেটা পড়েছে তেলেঙ্গানার ভাগে৷ ১০ বছর সেটা থাকবে দুই রাজ্যের যুগ্ম রাজধানী৷ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, মিষ্টি বিতরণ, আতশবাজি, আবির দিয়ে রাঙানো হয় স্বপ্নপূরণের আনন্দ৷
এবার অবিভক্ত অন্ধ্র প্রদেশের পরিসম্পদ ভাগের পালা, যেটা বেশ জটিল এবং সময়সাপেক্ষ মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা৷ যেমন, নদীর জল, বিদ্যুৎ, সরকারি কর্মচারিদের বদলি ইত্যাদি৷ অপরদিকে ১৭৫টি আসনের সীমান্ধ্র বিধানসভা ভোটে ১০৬টি আসন দখল করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম পার্টি, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে৷
DW.DE





