নিউ ইয়র্কের ওপর কথিত ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্যা লিভ্যান্ট বা
আইএসআইএল হামলা চালাতে পারে বলে প্রচণ্ড আশংকা ব্যক্ত করেছেন নগরীর পুলিশের
সন্ত্রাস বিরোধী বিভাগের প্রধান। এ ছাড়া, এ সব উগ্রবাদী ২০০১ সালের ১১
সেপ্টেম্বরের চেয়ে ব্যাপক হামলা চালাতে পারে বলে এর আগে আশংকা ব্যক্ত
করেছেন মার্কিন শীর্ষ স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
তিনি বলেছেন, সিরিয়া এবং ইরাকে যুদ্ধে যোগ দেয়ার জন্য আমেরিকা থেকে যারা গিয়েছে তারা ফিরে এসে আমেরিকার ওপর হামলা চালাতে পারে। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের গোয়েন্দা বিষয়ক উপ কমিশনার জন মিলার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে জড়িত মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে শতাধিক নিউ ইয়র্ক শহরের অধিবাসী রয়েছে। এ সব উগ্রবাদীরা আবার নিউ ইয়র্ক নগরীতে ফিরে আসতে পারে ভেবে নিয়ে প্রচণ্ড আশংকায় রয়েছেন তিনি। শিকাগো, পোর্টল্যান্ড, মিনেসোটাসহ অন্যান্য নগরী থেকেও উগ্রবাদীরা সিরিয়া এবং ইরাকে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকায় ফিরে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাতে চাইলে তাদের সবাই নিউ ইয়র্ক নগরীকেই বেছে নিবে।
এর আগে, গতমাসে মার্কিন অভ্যন্তরীণ তদন্ত সংস্থা এফবিআই’এর পরিচালক জেমস কোমে বলেছেন, সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধের জন্য যাদেরকে ১৯৮০ এবং ১৯৯০এর দশকে আফগানিস্তানে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল তারাই ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরিকল্পনা করেছে। সিরিয়ায় যে সব আমেরিকান গেরিলা লড়ছে তারা একই ধরণের হামলা করতে পারে বলে এফবিআই ধারণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে সে ক্ষেত্রে হামলার ধরণ আরো ব্যাপক হবে।
এ ছাড়া, আইএসআইএল সন্ত্রাসীরা ব্রিটেনে হামলা চালাতে পারে বলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এর আগে আশংকা ব্যক্ত করেছিলেন। গত বুধবার ব্রিটিশ সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আইএসআইএল সন্ত্রাসীদের মধ্যে ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছে এবং তারা দেশে ফিরে ব্রিটেনের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান থেকে ব্রিটিশ গেরিলাদের ফেরার চেয়ে ইরাক ও সিরিয়ায় যুদ্ধরত নাগরিকদের ফেরা অনেক বেশি ঝুঁকির বিষয় বলেও তিনি এ সময়ে স্বীকার করেন।
তিনি বলেছেন, সিরিয়া এবং ইরাকে যুদ্ধে যোগ দেয়ার জন্য আমেরিকা থেকে যারা গিয়েছে তারা ফিরে এসে আমেরিকার ওপর হামলা চালাতে পারে। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের গোয়েন্দা বিষয়ক উপ কমিশনার জন মিলার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে জড়িত মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে শতাধিক নিউ ইয়র্ক শহরের অধিবাসী রয়েছে। এ সব উগ্রবাদীরা আবার নিউ ইয়র্ক নগরীতে ফিরে আসতে পারে ভেবে নিয়ে প্রচণ্ড আশংকায় রয়েছেন তিনি। শিকাগো, পোর্টল্যান্ড, মিনেসোটাসহ অন্যান্য নগরী থেকেও উগ্রবাদীরা সিরিয়া এবং ইরাকে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকায় ফিরে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাতে চাইলে তাদের সবাই নিউ ইয়র্ক নগরীকেই বেছে নিবে।
এর আগে, গতমাসে মার্কিন অভ্যন্তরীণ তদন্ত সংস্থা এফবিআই’এর পরিচালক জেমস কোমে বলেছেন, সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধের জন্য যাদেরকে ১৯৮০ এবং ১৯৯০এর দশকে আফগানিস্তানে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল তারাই ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরিকল্পনা করেছে। সিরিয়ায় যে সব আমেরিকান গেরিলা লড়ছে তারা একই ধরণের হামলা করতে পারে বলে এফবিআই ধারণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবে সে ক্ষেত্রে হামলার ধরণ আরো ব্যাপক হবে।
এ ছাড়া, আইএসআইএল সন্ত্রাসীরা ব্রিটেনে হামলা চালাতে পারে বলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এর আগে আশংকা ব্যক্ত করেছিলেন। গত বুধবার ব্রিটিশ সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আইএসআইএল সন্ত্রাসীদের মধ্যে ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছে এবং তারা দেশে ফিরে ব্রিটেনের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান থেকে ব্রিটিশ গেরিলাদের ফেরার চেয়ে ইরাক ও সিরিয়ায় যুদ্ধরত নাগরিকদের ফেরা অনেক বেশি ঝুঁকির বিষয় বলেও তিনি এ সময়ে স্বীকার করেন।





