বিশ্বকাপ দুয়ারে। এখানেও একই বিতর্ক কে বিশ্বের সেরা। তবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওলেন মেসির নজর বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ে। তিনি এবার বিশ্বকাপ জিততে বদ্ধপরিকর।মেসি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডিয়েগো ম্যারাডোনা, পেলে এবং ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়যারের সাফল্যে আমার ঈর্ষা হয়।’ মেসির এই ঈর্ষার কারণও অযৌক্তিক নয়। নিজে গ্রেট ম্যারাডোনার ১০ নম্বর জার্সি গায়ে চড়িয়ে খেলেন ক্লাব ও জাতীয় দলে। চার চারবার ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। বড় ধরনের ২১টি টাইটেল ট্রফি শোভা বৃদ্ধি করছে তার শোকেসের। গড়েছেন গোলের একাধিক বিশ্ব রেকর্ড।এরপরও ২৬ বছর বয়সী বার্সেলোনার এই স্ট্রাইকারের কোথায় যেন অতৃপ্তি! কেউ না বললেও স্পষ্ট, দেশের হয়ে বিশ্বকাপ না জেতা। আর এটিতেই তার এবং ম্যারাডোনার ব্যবধান।
আর এজন্য এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটি নিজের শোকেসে নিতে মেসি কঠোর পরিশ্রম করছেন। তিনি মনে করেন, আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে খেলবে তার দল আর্জেন্টিনা। ম্যারাডোনা, পেলে এবং বেকেনবাওয়ারের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে দামী ট্রফি দেখার পর কেমন লাগে- ইএসপিএন’র এমন প্রশ্নে মেসি বলেন, ‘আমি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ি। এটি সুস্থ ঈর্ষা। আমি তার (ম্যারাডোনা) অবস্থান কিনে নিতে চাই।’ তিনি বিশ্বকাপ না জেতার কষ্টেরও বর্ণনা দেন। কারণ গত বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার অধীনে মেসিরা অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যতবারই বিশ্বসেরা হই না কেন তাতে মানুষের ধারণার কিছু যায় আসবে না। সবার কাছে সেরা হতে হলে আমাকে বিশ্বকাপ জিততেই হবে।’
বার্সেলোনা স্ট্রাইকার বলেন, ‘২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত অনেক কিছু শিখেছি। ভাল-খারাপ সব অভিজ্ঞতা পেয়েছি, যা আমাকে একজন ভাল মানুষ এবং পেশাদার ফুটবলার হতে সাহায্য করেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমিই আমার সেরা সমালোচক। আমি সব সময় ভাল কিছু করতে চাই। অনেক কিছু করতে এবং বলতে চাই।’ মেসি বলেন, ‘আমার ফুটবল খেলার পেছনে একটিই কারণ ছোট্ট থেকে আমি ফুটবলকে উপভোগ করি। এখনও আমি সব সময় সেটিই করে চলেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, খেলা করে দীর্ঘসময় মজা পাওয়া না গেলে এবং উপভোগ্য না হলে কিছুই করা যাবে না। আমি ফুটবলই খেলি। কারণ আমি ফুটবলকে ভালবাসি, এটি ঘিরেই আমার সবকিছু। যেমনটি নেইমার, ইনিয়েস্তা, জাভি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, রিবেরি এবং রবেনরাও করছেন।’
আর এজন্য এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটি নিজের শোকেসে নিতে মেসি কঠোর পরিশ্রম করছেন। তিনি মনে করেন, আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে খেলবে তার দল আর্জেন্টিনা। ম্যারাডোনা, পেলে এবং বেকেনবাওয়ারের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে দামী ট্রফি দেখার পর কেমন লাগে- ইএসপিএন’র এমন প্রশ্নে মেসি বলেন, ‘আমি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ি। এটি সুস্থ ঈর্ষা। আমি তার (ম্যারাডোনা) অবস্থান কিনে নিতে চাই।’ তিনি বিশ্বকাপ না জেতার কষ্টেরও বর্ণনা দেন। কারণ গত বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার অধীনে মেসিরা অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যতবারই বিশ্বসেরা হই না কেন তাতে মানুষের ধারণার কিছু যায় আসবে না। সবার কাছে সেরা হতে হলে আমাকে বিশ্বকাপ জিততেই হবে।’
বার্সেলোনা স্ট্রাইকার বলেন, ‘২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত অনেক কিছু শিখেছি। ভাল-খারাপ সব অভিজ্ঞতা পেয়েছি, যা আমাকে একজন ভাল মানুষ এবং পেশাদার ফুটবলার হতে সাহায্য করেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘আমিই আমার সেরা সমালোচক। আমি সব সময় ভাল কিছু করতে চাই। অনেক কিছু করতে এবং বলতে চাই।’ মেসি বলেন, ‘আমার ফুটবল খেলার পেছনে একটিই কারণ ছোট্ট থেকে আমি ফুটবলকে উপভোগ করি। এখনও আমি সব সময় সেটিই করে চলেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, খেলা করে দীর্ঘসময় মজা পাওয়া না গেলে এবং উপভোগ্য না হলে কিছুই করা যাবে না। আমি ফুটবলই খেলি। কারণ আমি ফুটবলকে ভালবাসি, এটি ঘিরেই আমার সবকিছু। যেমনটি নেইমার, ইনিয়েস্তা, জাভি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, রিবেরি এবং রবেনরাও করছেন।’





