বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের পানছড়ি ৫২ নম্বর পিলার এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বর্ডার গার্ড পুলিশ) সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের গুলিবিনিময়ে নিহত বিজিবি’র নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে চলছে শোকের মাতম। তাকে হারিয়ে মিজানের স্ত্রী ও সন্তানরা এখন পাগল প্রায়। নিহতের স্ত্রী রাবেয়া আকতার কান্না জর্জরিত কন্ঠে সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী যেন তার প্রিয় স্বামীর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।
নিহত নায়েক মিজানুর রহমান (৪৩) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউপির ভৈষেরকুট-ভেলানগর গ্রামের মোল্লা বাড়ির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ল্যান্স কর্পোরাল আব্দুল হাফিজের ছেলে।
শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, গোটা গ্রামে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। আশপাশের গ্রামের হাজারো মানুষ এই বাড়িতে ভিড় করছে মিজানের পরিবার কে সান্তনা দেয়ার জন্য। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে যেই সান্তনা দিতে কাছে যাচ্ছেন তাদের গগনবিধারী আর্তনাদে তিনিই কান্নায় ভেঙে পড়ছে। আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় যেন আকাঁশ ভারী হয়ে উঠেছে। তার মাতা রাবেয়া আক্তার (৬২) ছেলের জন্য কান্না করতে করতে পাগল প্রায়। তার স্ত্রী ও ৪ মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে হাবিবা আক্তার (৪) এখনো জানে না তার বাবা আর কখনো ফিরে আসবে না। হাবিবা কে তার বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমার বাবা চাকরি করতে গেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সময়ে মায়ের গর্ভে মিজানকে রেখে তার বাবা যুদ্ধে শহীদ হন। ওই সময়ে তার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ল্যান্স কর্পোরাল ছিলেন। এরপর মিজানের মাকে তার চাচা আবুল কাশেম বিয়ে করেন। তিনিও বিজিবি’র অবসরপ্রাপ্ত নায়েক সুবেদার ছিলেন। মিজানুর রহমান ১৯৮৮ সালে চাকরিতে যোগদান করেন। ২ মাস আগে লালমনিরহাট থেকে তাকে বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়িতে বদলি করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়ি ইউনিয়নের পানছড়ির বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
সূত্রমতে, ২৮ মে বুধবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে ৩১ বিজিবির একটি টহল দলকে লক্ষ করে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা গুলিবর্ষণ করার পর তিনি নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে বিজিবি সদস্য নায়েক সুবেদার মিজানের ব্যবহৃত এলএমজি রাইফেল ও ১২০ রাউন্ড গুলিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি বিজিবির। এ ঘটনার পর নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে।
নিহত নায়েক মিজানুর রহমান (৪৩) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউপির ভৈষেরকুট-ভেলানগর গ্রামের মোল্লা বাড়ির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ল্যান্স কর্পোরাল আব্দুল হাফিজের ছেলে।
শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, গোটা গ্রামে বিরাজ করছে শোকাবহ পরিবেশ। আশপাশের গ্রামের হাজারো মানুষ এই বাড়িতে ভিড় করছে মিজানের পরিবার কে সান্তনা দেয়ার জন্য। কিন্তু তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে যেই সান্তনা দিতে কাছে যাচ্ছেন তাদের গগনবিধারী আর্তনাদে তিনিই কান্নায় ভেঙে পড়ছে। আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় যেন আকাঁশ ভারী হয়ে উঠেছে। তার মাতা রাবেয়া আক্তার (৬২) ছেলের জন্য কান্না করতে করতে পাগল প্রায়। তার স্ত্রী ও ৪ মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে হাবিবা আক্তার (৪) এখনো জানে না তার বাবা আর কখনো ফিরে আসবে না। হাবিবা কে তার বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলে আমার বাবা চাকরি করতে গেছে।
নিহতের পরিবার জানায়, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সময়ে মায়ের গর্ভে মিজানকে রেখে তার বাবা যুদ্ধে শহীদ হন। ওই সময়ে তার বাবা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ল্যান্স কর্পোরাল ছিলেন। এরপর মিজানের মাকে তার চাচা আবুল কাশেম বিয়ে করেন। তিনিও বিজিবি’র অবসরপ্রাপ্ত নায়েক সুবেদার ছিলেন। মিজানুর রহমান ১৯৮৮ সালে চাকরিতে যোগদান করেন। ২ মাস আগে লালমনিরহাট থেকে তাকে বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়িতে বদলি করা হয়। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি দোছড়ি ইউনিয়নের পানছড়ির বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
সূত্রমতে, ২৮ মে বুধবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্তের ৫২ নম্বর পিলারের কাছে ৩১ বিজিবির একটি টহল দলকে লক্ষ করে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা গুলিবর্ষণ করার পর তিনি নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে বিজিবি সদস্য নায়েক সুবেদার মিজানের ব্যবহৃত এলএমজি রাইফেল ও ১২০ রাউন্ড গুলিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি বিজিবির। এ ঘটনার পর নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে।





