লিবিয়ার সেনাবাহিনী দেশটির পূর্বাঞ্চলীয়
বেনগাজি শহরের আকাশে বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করেছে। মেজর জেনারেল খলিফা
হাফতার নামের এক সেনা কর্মকর্তা সেখানে দু’টি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে
অভিযান চালানোর পর এই ঘোষণা দেয়া হলো।
এ অভিযানে খলিফা হাফতার সরকারি জঙ্গিবিমান
ও সেনা ব্যবহার করছেন। প্রচণ্ড সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৭৯ জন নিহত এবং ১৪১ জন
আহত হয়েছে বলে লিবিয়া এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
হাফতার অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন বলে এর আগে লিবিয়া সরকার অভিযোগ করেছে। এ সত্ত্বেও সেনা অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে বলে দাবি করেছেন হাফতার। তিনি লিবিয়ার আল-ওয়াতন টেলিভিশনকে বলেন, বেনগাজি সন্ত্রাসীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থান শুরুর পর লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক কর্নেল গাদ্দাফির সেনাদল ত্যাগ করে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন হাফতার। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্মি নামের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। লিবিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে এবং এগুলোর কোনো কোনোটি দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত। অঞ্চল ও শহরের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে লিবিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম বিভক্তি বিরাজ করছে। তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে এ সেনাবাহিনী বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশের তোয়াক্কা করে না।
হাফতার অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন বলে এর আগে লিবিয়া সরকার অভিযোগ করেছে। এ সত্ত্বেও সেনা অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে বলে দাবি করেছেন হাফতার। তিনি লিবিয়ার আল-ওয়াতন টেলিভিশনকে বলেন, বেনগাজি সন্ত্রাসীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থান শুরুর পর লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক কর্নেল গাদ্দাফির সেনাদল ত্যাগ করে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন হাফতার। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্মি নামের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। লিবিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে এবং এগুলোর কোনো কোনোটি দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত। অঞ্চল ও শহরের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে লিবিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম বিভক্তি বিরাজ করছে। তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে এ সেনাবাহিনী বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশের তোয়াক্কা করে না।
১৮ মে (রেডিও তেহরান)





