অবশেষে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে ভাঙন দেখা
দিয়েছে। একদল সেনা সরকার পক্ষ ছেড়ে রুশপন্থিদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। সম্প্রতি
স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়া দোনেতস্ক প্রদেশে এ ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, দোনেতস্ক প্রজাতন্ত্রের সেল্ফ
ডিফেন্স ফোর্স জানিয়েছে, প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়ার
অভিযোগে তারা ১০০ ব্যক্তিকে আটক করেছে। এছাড়া, গত শুক্রবারের মধ্যে
দোনেতস্ক অঞ্চল থেকে সেল্ফ ডিফেন্স ফোর্স ইউক্রেনের সেনা প্রত্যাহারের যে
সময়সীমা বেধে দিয়েছিল তা শেষ হওয়ার পরও ইউক্রেন সেনা প্রত্যাহার করে নি।
গণভোটের পর দোনেতস্ক ইউক্রেনের
অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না বলে ঘোষণা করার পর
সেনাবাহিনীতে পক্ষ ত্যাগের ঘটনা ঘটল।
দোনেতস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী
আলেকজান্ডার বোরোদেই গতকাল (শনিবার) এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন, এ
প্রজাতন্ত্র থেকে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রত্যহার না করা পর্যন্ত
তিনি কোনো আলোচনায় বসবেন না। ইউক্রেনের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট
ওলেকজান্ডার তুরচিনভ দোনেতস্কের চারটি অঞ্চলে সফর বাতিল করার পর বোরোদেই এ
ঘোষণা দিলেন।
ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল স্বাধীনতা
ঘোষণাকারী দোনেতস্ক ও লুহানস্ক প্রজাতন্ত্রকে সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে
ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, এই দুটি অঞ্চল অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহের চ্যানেল
হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
১৮ মে (রেডিও তেহরান)





