কলকাতা নাইট রাইডার্স ফাইনালে কখনো হারে না। তবে কি আবারও চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে সাকিব আল হাসানের দল? সেই উত্তর জানা যাবে ১ জুন। আপাতত দুর্দান্ত গতিতে ছুটতে থাকা কলকাতা এবারের আইপিএলে টানা অষ্টম জয় তুলে নিয়ে চলে গেল ফাইনালে।
কলকাতা ফাইনালে হারে না, কথাটার মধ্যে একটা ফাঁক আছে। এর আগে একবারই ফাইনালে উঠেছিল কলকাতা। ২০১২ সালের ওই আসরে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল গৌতম গম্ভীরের দল। এবারের আরব আমিরাত অংশে খোঁড়াতে খোঁড়াতে শুরু করা কলকাতা ভারতে এসেই দুর্দান্ত খেলতে শুরু করে। অবিশ্বাস্য সমীকরণ মিলিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় দল হয়ে উঠে আসে প্লে অফে। গতকাল বুধবার ইডেন গার্ডেনে সেই প্লে অফে কলকাতা ২৮ রানে হারাল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে গ্র“প পর্ব শেষ করা কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে।
পাঞ্জাবের ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ অবশ্য এখনো থাকছে। আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় প্লে অফে মুখোমুখি চেন্নাই-মুম্বাই ম্যাচের বিজয়ি দলের সঙ্গে খেলবে পাঞ্জাব। সেই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে ফাইনালে কলকাতার প্রতিপক্ষ হচ্ছে কোন দল।
ব্যাটে-বলে সাকিবের দিনটা খুব একটা সুখকর ছিল না। ১৬ বলে ২ চারে ১৮ রান করেছেন। কিন্তু বল হাতে চার ওভারে ৪৩ রান দিয়ে এক উইকেট। এর মধ্যে ইনিংসের ১৮তম ওভারেই দিয়েছেন ২১। তবে চতুর্থ উইকেটে ইউসুফ পাঠানের সঙ্গে সাকিবের ৪১ রানের জুটিটা কলকাতাকে জয়ের পুঁজি এনে দিতে সাহায্য করছে। বল হাতেও মাঝের দুটো ওভার দারুণ করেছেন সাকিব। কিন্তু প্রথম আর শেষ ওভার দুটিতে রানের স্রোতে বাঁধ দিতে পারেননি।
কলকাতার জয়ে একক কোনো নায়ক নেই সেই অর্থে। ১৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা যদিও উমেশ যাদব। কিন্তু আজকের জয়টা কলকাতার সম্মিলিত লড়াইয়েরই ফসল। উথাপ্পার ব্যাট আজও হেসেছে। ৩০ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় করেছেন ৪২। এ ছাড়া পাণ্ডে (২১), পাঠান (২০), সূর্যকুমার যাদব (২০) ও সাকিবের মাঝারি আকারের ইনিংসগুলোর সৌজন্যে ৮ উইকেটে ১৬৩ রান তোলে কলকাতা। কিন্তু ৮ উইকেটে ১৩৫ রানেই ফুরিয়ে যায় পাঞ্জাবের ২০ ওভার।
কলকাতা ফাইনালে হারে না, কথাটার মধ্যে একটা ফাঁক আছে। এর আগে একবারই ফাইনালে উঠেছিল কলকাতা। ২০১২ সালের ওই আসরে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল গৌতম গম্ভীরের দল। এবারের আরব আমিরাত অংশে খোঁড়াতে খোঁড়াতে শুরু করা কলকাতা ভারতে এসেই দুর্দান্ত খেলতে শুরু করে। অবিশ্বাস্য সমীকরণ মিলিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় দল হয়ে উঠে আসে প্লে অফে। গতকাল বুধবার ইডেন গার্ডেনে সেই প্লে অফে কলকাতা ২৮ রানে হারাল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে গ্র“প পর্ব শেষ করা কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে।
পাঞ্জাবের ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ অবশ্য এখনো থাকছে। আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় প্লে অফে মুখোমুখি চেন্নাই-মুম্বাই ম্যাচের বিজয়ি দলের সঙ্গে খেলবে পাঞ্জাব। সেই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে ফাইনালে কলকাতার প্রতিপক্ষ হচ্ছে কোন দল।
ব্যাটে-বলে সাকিবের দিনটা খুব একটা সুখকর ছিল না। ১৬ বলে ২ চারে ১৮ রান করেছেন। কিন্তু বল হাতে চার ওভারে ৪৩ রান দিয়ে এক উইকেট। এর মধ্যে ইনিংসের ১৮তম ওভারেই দিয়েছেন ২১। তবে চতুর্থ উইকেটে ইউসুফ পাঠানের সঙ্গে সাকিবের ৪১ রানের জুটিটা কলকাতাকে জয়ের পুঁজি এনে দিতে সাহায্য করছে। বল হাতেও মাঝের দুটো ওভার দারুণ করেছেন সাকিব। কিন্তু প্রথম আর শেষ ওভার দুটিতে রানের স্রোতে বাঁধ দিতে পারেননি।
কলকাতার জয়ে একক কোনো নায়ক নেই সেই অর্থে। ১৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা যদিও উমেশ যাদব। কিন্তু আজকের জয়টা কলকাতার সম্মিলিত লড়াইয়েরই ফসল। উথাপ্পার ব্যাট আজও হেসেছে। ৩০ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় করেছেন ৪২। এ ছাড়া পাণ্ডে (২১), পাঠান (২০), সূর্যকুমার যাদব (২০) ও সাকিবের মাঝারি আকারের ইনিংসগুলোর সৌজন্যে ৮ উইকেটে ১৬৩ রান তোলে কলকাতা। কিন্তু ৮ উইকেটে ১৩৫ রানেই ফুরিয়ে যায় পাঞ্জাবের ২০ ওভার।





