লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজিতে দুইটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। সরকারি বাহিনী এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ-আত-থিনি সরকারি বাহিনীর এ অভিযানকে বিপ্লবের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
এদিকে, বেনগাজির বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর যে অংশ এ অভিযানে জড়িয়ে পড়েছে তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন লিবিয় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্নেল খালিফা হাফতার। 'রাফাল্লাহ আস-সাহাতি' এবং '১৭ ফেব্রুয়ারি' নামের দু’টি গোষ্ঠীর ঘাঁটি অবরোধ করেছে হাফতারের প্রতি অনুগত সেনারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হামলার কাজে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হয়েছে।
কিন্তু রাজধানী ত্রিপোলিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হামলার নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ। একে তিনি অবৈধ এবং অভ্যুত্থানের চেষ্টা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বেনগাজিতে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী ঢোকার চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর নির্দেশ দিয়েছে ত্রিপোলি সরকার। কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর আইনগত বৈধতা নেই বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া, বিমান বাহিনী যে বোমা বর্ষণ করেছে তাও অবৈধভাবে করা হয়েছে এবং ত্রিপোলি সরকার এ ধরণের কোনো নির্দেশ দেয় নি বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থান শুরুর পর কর্নেল গাদ্দাফির সেনাদল ত্যাগ করে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন হাফতার। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্মি নামের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। আপাতত বেনগাজিতে অস্বস্তিকর শান্ত অবস্থা বিরাজ করলেও আবারো সেখানে সংঘর্ষ হতে পারে বলে অধিবাসীরা আশংকা করছেন।
লিবিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে এবং কোনো কোনোটি দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত। অঞ্চল ও শহরকে কেন্দ্র করে লিবিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম বিভক্তি বিরাজ করছে। তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে এ সেনাবাহিনী বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রের নির্দেশের তোয়াক্কা করে না।
এদিকে, সাম্প্রতিক গোলযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ত্রিপোলির দূতাবাসের বিরুদ্ধে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকিকে কেন্দ্র করে আলজেরিয়া দেশটিতে বিশেষ বাহিনী পাঠিয়েছে। ত্রিপোলির রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাস কর্মীদের সামরিক বিমানযোগে সরিয়ে আনার জন্য এ বাহিনী পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, বেনগাজির বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর যে অংশ এ অভিযানে জড়িয়ে পড়েছে তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন লিবিয় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্নেল খালিফা হাফতার। 'রাফাল্লাহ আস-সাহাতি' এবং '১৭ ফেব্রুয়ারি' নামের দু’টি গোষ্ঠীর ঘাঁটি অবরোধ করেছে হাফতারের প্রতি অনুগত সেনারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হামলার কাজে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হয়েছে।
কিন্তু রাজধানী ত্রিপোলিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হামলার নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ। একে তিনি অবৈধ এবং অভ্যুত্থানের চেষ্টা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বেনগাজিতে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী ঢোকার চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর নির্দেশ দিয়েছে ত্রিপোলি সরকার। কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর আইনগত বৈধতা নেই বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া, বিমান বাহিনী যে বোমা বর্ষণ করেছে তাও অবৈধভাবে করা হয়েছে এবং ত্রিপোলি সরকার এ ধরণের কোনো নির্দেশ দেয় নি বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থান শুরুর পর কর্নেল গাদ্দাফির সেনাদল ত্যাগ করে বিদ্রোহী বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন হাফতার। বর্তমানে ন্যাশনাল আর্মি নামের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। আপাতত বেনগাজিতে অস্বস্তিকর শান্ত অবস্থা বিরাজ করলেও আবারো সেখানে সংঘর্ষ হতে পারে বলে অধিবাসীরা আশংকা করছেন।
লিবিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী তৎপর রয়েছে এবং কোনো কোনোটি দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত। অঞ্চল ও শহরকে কেন্দ্র করে লিবিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম বিভক্তি বিরাজ করছে। তৎপরতা চালানোর ক্ষেত্রে এ সেনাবাহিনী বেশিরভাগ সময়ই কেন্দ্রের নির্দেশের তোয়াক্কা করে না।
এদিকে, সাম্প্রতিক গোলযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ত্রিপোলির দূতাবাসের বিরুদ্ধে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকিকে কেন্দ্র করে আলজেরিয়া দেশটিতে বিশেষ বাহিনী পাঠিয়েছে। ত্রিপোলির রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাস কর্মীদের সামরিক বিমানযোগে সরিয়ে আনার জন্য এ বাহিনী পাঠানো হয়েছে।
(রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/১৭)





