দক্ষিণ কোরীয় উপকূলে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবির পর এখন পর্যন্ত নয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
নিখোঁজ রয়েছে প্রায় ৩শ জন।রাতভর উদ্ধার অভিযানে বেশ কিছু জাহাজ ও হেলিকপ্টার কাজ করছে। ফেরিটি প্রায় ৫ শ' জন যাত্রী নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় পর্যটন দ্বীপ জেজুতে যাওয়ার পথে ডুবে যায়।
যাত্রীদের অধিকাংশই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।
৪৬০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ফেরিটি পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দর ইনচিওন থেকে রওনা হয়ে পর্যটন দ্বীপ জেজুতে যাচ্ছিল।
রওনা দিয়ে ২০ কিলোমিটার অগ্রসর হওয়ার পর ফেরিটি ডুবে যায়।
উদ্ধার অভিযানে কোরিয়ার প্রায় অর্ধ শতাধিক জাহাজ কাজ করছে, সাথে রয়েছে হেলিকপ্টার।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী চাং হং ঊন উদ্ধার কাজে নিয়োজিত প্রত্যেককে আশা না ছেড়ে কাজ করার আওভান জানিয়েছেন। তিনি বলছিলেন এখন থেকে আমাদের আর একটি সেকেন্ড বা মিনিট সময় নষ্ট করার উপায় নেই।
আমাদের সকল শক্তি দিয়ে উদ্ধার কাজ চালাতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানদের আমি ঘটনাস্থলে থেকে তত্বাবধান করার আওভান জানাচ্ছি।
মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজ ঘটনাস্থলের ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে সবরকম সহযোগিতা দেওয়ার জন্য। ধারনা করা হচ্ছিল যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছে তারা হয়ত ফেরির বিভিন্ন কম্পার্টমেন্টে আটকা থাকতে পারেন।
তবে সেখানেও হতাশার কথা শুনিয়েছেন মার্কিন নৌ বাহিনীর কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন জোয়ি টাইন্চ। তিনি বলছিলেন এটা বেশ কঠিন এক অভিযান। আবহাওয়া এবং পানির তাপমাত্রা বড চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া ডুবুরিরা ইতিমধ্যে পানির নিচের তিনটি কম্পার্টমেন্ট খুঁজে এসেছে সেখানে কাওকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় আটকে থাকতে দেখেনি।
রাতভর এই অভিযান চললেও আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ঘন কুয়াসা ও বৃষ্টির কথা বলা হচ্ছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে এতে উদ্ধার অভিযান ব্যহত হতে পারে। ফেরিটিতে ৪৬০ জনের বেশি যাত্রী থাকলেও এর ধারণ ক্ষমতা ছিল নয়'শ জনের। এখন কি কারণে ফেরিটি ডুবে গেল তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি।
ফেরি দুর্ঘটনাস্থলটিতে কোনও প্রবাল কিংবা পাথর নেই বলে জানিয়েছে উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত এক কর্মী।
তাছাড়া, দুর্ঘটনার সময় আবহাওয়া ভাল ছিল এবং সাগরও শান্ত ছিল।
তারপরও এ দুর্ঘটনা ঘটার কারণ হিসাবে ফেরিটির যান্ত্রিক কোনও ত্রুটি থেকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ২০ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ ফেরি দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।






very very sad
ReplyDeleteWhen stop this type of accident!
ReplyDelete