মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসএ ইন্টারনেট থেকে মানুষের মুখের কোটি কোটি ছবি সংগ্রহ করছে। চেহারা শনাক্ত করার তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলার বিশাল কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সব ছবি যোগাড় করা হচ্ছে বলে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করে দেয়া গোপন নথিপত্র থেকে জানা গেছে।
ইমেইল, টেক্সট মেসেজ, সামাজিক মাধ্যম, ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে এ সব ছবি যোগাড় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস। ইন্টারনেট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ ছবি হাতিয়ে নিলেও দিনের শেষে তার মধ্য থেকে চেহারা শনাক্ত করা যায় এ রকম ৫৫,০০০ উন্নত মানের ছবি জমিয়ে রাখছে এনএসএ। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারনেটে ছবি আদান-প্রদানে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
ইন্টারনেট থেকে ছবি হাতিয়ে নেয়ার জন্য যে সব প্রোগ্রাম এনএসএ ব্যবহার করে তার অন্যতম হলো ‘ওয়েলস্প্রিং’। এটি দিয়ে ইমেইল থেকে ছবি হাতিয়ে নেয়া যায়। এ ছাড়া, চেহারা শনাক্ত করার বাণিজ্যিক যে সব প্রোগ্রাম পাওয়া যায় সেগুলোর সহায়তাও নেয় এনএসএ। ২০১১ সালে মাঝামাঝি গোগোলের কিনে নেয়া পিটপ্যাট নামের একটি ছোট কোম্পানির তৈরি করা এ জাতীয় প্রোগ্রামও ব্যবহার করে মার্কিন এ গোয়েন্দা সংস্থা।
চেহারা শনাক্ত করার এ বিতর্কিত কর্মসূচিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে জোরদার করা হয়েছে। চেহারা শনাক্ত করার সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা গত চার বছর ধরে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এনএসএ। ফাঁস করে দেয়া নথিপত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, লিখিত বা মৌখিক যোগাযোগের চেয়ে চেহারা শনাক্ত করা এবং আঙ্গুলের ছাপের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এনএসএ।
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাও একই তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে চলতি বছরের গোড়ার দিকে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছিল। খবরে, ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ইয়াহু’র মাধ্যমে যে চ্যাট করা হয় ব্রিটিশ সরকারের আড়িপাতার কেন্দ্র জিসিএইচকিউ তা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছিল ব্রিটেনের দৈনিক গার্ডিয়ান। স্নোডেনের ফাঁস করা নথিপত্রের ভিত্তিতেই এ খবর দিয়েছিল দৈনিকটি।
রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/২
ইমেইল, টেক্সট মেসেজ, সামাজিক মাধ্যম, ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে এ সব ছবি যোগাড় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস। ইন্টারনেট থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ ছবি হাতিয়ে নিলেও দিনের শেষে তার মধ্য থেকে চেহারা শনাক্ত করা যায় এ রকম ৫৫,০০০ উন্নত মানের ছবি জমিয়ে রাখছে এনএসএ। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারনেটে ছবি আদান-প্রদানে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
ইন্টারনেট থেকে ছবি হাতিয়ে নেয়ার জন্য যে সব প্রোগ্রাম এনএসএ ব্যবহার করে তার অন্যতম হলো ‘ওয়েলস্প্রিং’। এটি দিয়ে ইমেইল থেকে ছবি হাতিয়ে নেয়া যায়। এ ছাড়া, চেহারা শনাক্ত করার বাণিজ্যিক যে সব প্রোগ্রাম পাওয়া যায় সেগুলোর সহায়তাও নেয় এনএসএ। ২০১১ সালে মাঝামাঝি গোগোলের কিনে নেয়া পিটপ্যাট নামের একটি ছোট কোম্পানির তৈরি করা এ জাতীয় প্রোগ্রামও ব্যবহার করে মার্কিন এ গোয়েন্দা সংস্থা।
চেহারা শনাক্ত করার এ বিতর্কিত কর্মসূচিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে জোরদার করা হয়েছে। চেহারা শনাক্ত করার সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা গত চার বছর ধরে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এনএসএ। ফাঁস করে দেয়া নথিপত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, লিখিত বা মৌখিক যোগাযোগের চেয়ে চেহারা শনাক্ত করা এবং আঙ্গুলের ছাপের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এনএসএ।
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাও একই তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে চলতি বছরের গোড়ার দিকে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছিল। খবরে, ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ইয়াহু’র মাধ্যমে যে চ্যাট করা হয় ব্রিটিশ সরকারের আড়িপাতার কেন্দ্র জিসিএইচকিউ তা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছিল ব্রিটেনের দৈনিক গার্ডিয়ান। স্নোডেনের ফাঁস করা নথিপত্রের ভিত্তিতেই এ খবর দিয়েছিল দৈনিকটি।
রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/২





