নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিপির মধ্যে গোলাগুলিতে মিয়ানমারের চার সেনা সদস্য নিহত হয়েছে বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। আবার কউ কেউ বলছে, মিয়ানমারের চরমপন্থীদের ৪ জন নিহত রয়েছে। এই বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে সব সূত্রই ৪জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে দাবি করেছে।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ৩০ মে সংঘটিত গোলাগুলিতে বিজিবির ছোড়া মর্টার গোলার আঘাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২ কমকর্তাসহ ৪ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে।
তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করা স্থানীয় এক সংবাদকর্মী পরিবর্তনকে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছে ঠিকই, তবে তারা মিয়ানমারের সেনা কিংবা বর্ডার গার্ড পুলিশ নয়। যারা মারা গেছে তারা ওই দেশটির চরমপন্থী একটি সংগঠনের সদস্য।
জানা গেছে, বুধবার মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিপির গুলিতে নিহত বিজিবি নায়েক সুবেদার মিজানুরের লাশ আনতে ৩০ মে বিজিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম মিয়ানমার সীমান্তে যায়। এই টিমে আরো ছিলেন বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমাণ্ডার কর্নেল খন্দকার ফরিদ হাসান, নাইক্ষ্যংছড়ির ৩১ বিজিবির সিও লে. কর্নেল শফিকুর রহমানসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিজিপি কর্তৃপক্ষ তাদের ৫২ পিলারের কাছ যাবার আহবান জানিয়েছিল। তাদের আহবান সাড়া দিয়ে লাশ আনতে ৫২ পিলার এলাকায় গেলে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে বিজিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি করে।
এসময় দুই পক্ষের মাঝে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। দুইপক্ষই ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে। এ সময় বিজিবির ছোড়া মর্টারের গোলা মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অবস্থানের ওপর গিয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই দুই কর্মকর্তাসহ ৪ জন নিহত হয়।
তবে অপর সূত্রটি দাবি করে, নিহতরা ছিলো চরমপন্থী। বিজিবির ওপর অতর্কিত আক্রমণকারীরাও ছিলো মিয়ানমারের চরমপন্থী সংগঠনের সদস্য।
এদিকে রোববার দুপুরে নাইক্ষ্যাংছড়ির ব্যাটেলিয়ান সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমদ আলী জানান, গত শুক্রবার মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড (বিজিপি) দ্বিতীয় দফায় যে হামলা চালিয়েছিলো তার পাল্টা জবাব দেয়া হয়েছে।
বিজিপি’র প্রতি পাল্টা হামলায় তাদের কেউ আহত বা মারা গিয়েছে কিনা -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আপনারা সাংবাদিক, আপনারাই বের করেন সেখানে কী হয়েছিল, সেখানের কী অবস্থা, কেউ আহত বা নিহত হয়েছিল কিনা।”
আমা/রর
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ৩০ মে সংঘটিত গোলাগুলিতে বিজিবির ছোড়া মর্টার গোলার আঘাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২ কমকর্তাসহ ৪ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে।
তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করা স্থানীয় এক সংবাদকর্মী পরিবর্তনকে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছে ঠিকই, তবে তারা মিয়ানমারের সেনা কিংবা বর্ডার গার্ড পুলিশ নয়। যারা মারা গেছে তারা ওই দেশটির চরমপন্থী একটি সংগঠনের সদস্য।
জানা গেছে, বুধবার মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিপির গুলিতে নিহত বিজিবি নায়েক সুবেদার মিজানুরের লাশ আনতে ৩০ মে বিজিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম মিয়ানমার সীমান্তে যায়। এই টিমে আরো ছিলেন বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমাণ্ডার কর্নেল খন্দকার ফরিদ হাসান, নাইক্ষ্যংছড়ির ৩১ বিজিবির সিও লে. কর্নেল শফিকুর রহমানসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিজিপি কর্তৃপক্ষ তাদের ৫২ পিলারের কাছ যাবার আহবান জানিয়েছিল। তাদের আহবান সাড়া দিয়ে লাশ আনতে ৫২ পিলার এলাকায় গেলে তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে বিজিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি করে।
এসময় দুই পক্ষের মাঝে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। দুইপক্ষই ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে। এ সময় বিজিবির ছোড়া মর্টারের গোলা মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অবস্থানের ওপর গিয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই দুই কর্মকর্তাসহ ৪ জন নিহত হয়।
তবে অপর সূত্রটি দাবি করে, নিহতরা ছিলো চরমপন্থী। বিজিবির ওপর অতর্কিত আক্রমণকারীরাও ছিলো মিয়ানমারের চরমপন্থী সংগঠনের সদস্য।
এদিকে রোববার দুপুরে নাইক্ষ্যাংছড়ির ব্যাটেলিয়ান সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমদ আলী জানান, গত শুক্রবার মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড (বিজিপি) দ্বিতীয় দফায় যে হামলা চালিয়েছিলো তার পাল্টা জবাব দেয়া হয়েছে।
বিজিপি’র প্রতি পাল্টা হামলায় তাদের কেউ আহত বা মারা গিয়েছে কিনা -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আপনারা সাংবাদিক, আপনারাই বের করেন সেখানে কী হয়েছিল, সেখানের কী অবস্থা, কেউ আহত বা নিহত হয়েছিল কিনা।”
আমা/রর





