ইউরোপের বড় শহরগুলোতে ট্রেন ও ট্যাক্সি
ধর্মঘটের ফলে বিপাকে পড়েছেন লাখ লাখ যাত্রী। ফ্রান্সের দুই-তৃতীয়াংশেরও
বেশি ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং ট্যাক্সি চালকরা ধর্মঘটে যোগ দেয়ার
পাশাপাশি বহু বিমানবন্দরে ঢোকার পথ বন্ধ করে রেখেছেন।
ইতালির মিলান শহরে আজ সারাদিন ধরে বিক্ষোভ
দেখান ট্যাক্সি চালকরা। তারা ট্রেন স্টেশনগুলো দখল করে রেল চলাচলে বিঘ্ন
সৃষ্টি করেন। জার্মানির বার্লিন ও হামবুর্গসহ আরো কিছু শহরেও এ ধরনের
বিক্ষোভ হয়েছে। কিন্তু বিক্ষোভের কারণে ট্রেন চলাচলে সবচেয়ে বেশি বিঘ্ন
সৃষ্টি হয়েছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
ইউরোপের ক্যাব চালকরা তাদের
প্রতিদ্বন্দ্বী মোবাইল সার্ভিস ‘উবের’-এর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করায়
ধর্মঘট শুরু করেছেন। আজ (বুধবার) স্পেনের ট্যাক্সি চালকরা প্রথমে ধর্মঘট
শুরু করেন এবং এরপর তা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির বিভিন্ন শহরে
ছড়িয়ে পড়ে।
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের ট্যাক্সি
চালকদের সবচেয়ে বড় সংস্থা আজ থেকে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত
২৪ ঘন্টার ধর্মঘট পালনের কথা জানিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় শহরটিতে ১৫,০০০
ট্যাক্সি রাস্তায় নামে নি।
লন্ডনের ট্যাক্সি চালকরা নগরীর
ট্র্যাফালগার স্কয়ার থেকে স্থানীয় সময় বেলা ২টা থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন।
চালকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি উবের মোবাইল অ্যাপলিকেশন ট্যাক্সি
মিটারের মতো কাজ করে এবং লন্ডনে শুধুমাত্র কালো ক্যাবগুলোকে এটি ব্যবহারের
অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদে লন্ডনের বিক্ষোভে ১২,০০০ ট্যাক্সি চালক
অংশগ্রহণ করেন।
(রেডিও তেহরান)





