প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অনেক দুস্তর আলো আঁধারির পথ পাড়ি দিয়ে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আলোর মুখ দেখলো পদ্মা সেতু প্রকল্প। একসময় কেউ বিশ্বাস করে নি যে পদ্মা সেতু একদিন হবে। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের ফসল হিসেবে আগামী ২০১৮ সালে পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলাচল করবে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘এ চুক্তির ফলে পদ্মা সেতুর মূল কাজ বাস্তবায়ন অনেক দূর এগিয়ে গেল। আর্ন্তজাতিক দরপত্র নীতিমালা মেনেই এ চুক্তি সম্পাদন হয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে আশেপাশের উচ্ছেদ কাজ শুরু হয়েছে।’ এর আগে ২ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মাসেতুর কার্যাদেশে স্বাক্ষর করেন। এর ফলে ১২ হাজার একশ কোটি টাকায় পদ্মা সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণের কাজ পায় চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। সবচেয়ে কম দরদাতা হিসেবে এই কোম্পানিকে কার্যাদেশ দেয়া হয়।
উল্লেখ, ৯ হাজার ১৭২ দশমিক ১৭ কোটি টাকার প্রকল্পটির জন্য গত বছরের ২৬ জুন চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এর মধ্যে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড, ডেলিম এলএনটি জেভি এবং স্যামস্যাং সিএনটি করপোরেশন এ তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র ক্রয় করে। কিন্তু ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত পদ্মা বহুমুখি সেতুর জন্য কারিগরি দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে শুধু চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডই দরপত্র জমা দেয়।




