সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে পেরেইরা বলেন, মার্সেলো তো শেষ মুহূর্তে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে বোঝা যায় তিনি কোন মাপের ফুটবলার। আমরা তাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। ব্রাজিল দলের দিকে তাকালে দেখা যাবে কেমন চমৎকার একটি দল সেলেকাওরা। আমাদের রয়েছে সবচেয়ে দামি ও সেরা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ম্যাকসওয়েলও আছেন। দলের সবাই নামীদামি ও মহান ফুটবলার। দলে আছে মহান স্ট্রাইকার। ফলে সাফল্য পাওয়ার জন্য দলটি মুখিয়ে আছে।
১৯৯৪ বিশ্বকাপে জয়ী কোচ পেরেইরা আরো বলেন, ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে অবশ্যই ফেবারিট। তবে তা অর্জন করে নিতে হবে। আমরা বলি না যে, আমরাই জিতব। তবে এটা তো ঠিক যে আমরা ফেবারিট। ২০০১ বিশ্বকাপে শতকরা নব্বই ভাগ লোক বলেছিল যে, আর্জেন্টিনা অথবা ফ্রান্স বিশ্বকাপ জয় করবে। কিন্তু এ দু’টি দল গ্রুপ পর্ব পেরুতে পারেনি। ফেবারিটের তকমা আঁটা দলগুলো ম্যাচ বদলে দিতে পারে না। কারণ ফেবারিটকে মাঠে খেলতে হবে। এবং নিজেদের শক্তির স্ফূরণ ঘটিয়ে একের পর এক ম্যাচ জিততে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা কোনো কিছুতেই অবাক হবো না। কারণ আমাদের জনগণ আমাদের সাহায্য করবে। কারণ ব্রাজিল কেমন দল তা নিয়ে তারা আলোচনা করে। এমনকি অন্য দলগুলোর ব্যাপারেও তারা খবর রাখে। প্রতিটি দলই প্রতিপক্ষের শক্তি সম্পর্কে অবহিত। আমরাও আমাদের গ্রুপ পর্বের দলগুলো নিয়ে কাজ করেছি। তবে এর বাইরে ১৬ দলের শক্তি সম্পর্কে আমরা ভালোই জানি। ফলে ভীত হওয়ার মতো কিছু নেই। এই অর্থে আমরাও অবাক নই। ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে ফইনালে উরুগুয়ের কাছে ব্রাজিল পরাজিত হয়েছিল। সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়ের পর আবার ব্রাজিল বিশ্বকাপের স্বাগতিক হয়েছে। এই ব্যাপারে পেরেইরা বলেন, বর্তমান দলের সবাই সেই দুঃখজনক অতীতকে পেছনে ফেলে মারাকানা স্টেডিয়ামে নতুন ইতিহাস নির্মাণের জন্য বদ্ধপরিকর। অতীত ও বর্তমান প্রেক্ষপট ভিন্ন। আমরা এর আগে পরাজিত হয়েছি। এবং আবার পরাজিত হতে চাই না। ব্রাজিলের ফুটবলারেরা তাদের ফ্যানদের কাছ থেকে এত ভালোবাসা পায়, যা অতুলনীয়। ২০১৩ কনফেডারেশন কাপে ব্রাজিল দল তার সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছিল বিশ্বকাপেও তা পাবে।





