পাবনার পুষ্পপাড়ায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের
গুলিতে আহত আওয়ামী লীগ কর্মী ও চরমপন্থীদলের সদস্য রফিকুল ইসলাম (৩০) মারা
গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ জনে।
পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ দাবি করেন, নিহতরা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মী ছিলেন। তবে আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান বলেন, তারা আওয়ামী লীগের কেউ নয়। এলাকায় নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াত।
এ দিকে, সকাল থেকে এলাকাবাসী এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের পুষ্পপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রেখেছে এবং দফায় দফায় বিক্ষোভ করছে।
যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে পুষ্পপাড়া
বাজারে ২০/২৫ জন অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে একটি দোকান লক্ষ্য করে ব্রাশ
ফায়ার করে। এতে ঘটনাস্থলেই আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে পরিচিত সুলতান, ফজলু
এবং সালাম নিহত হয়। অন্যদিকে রফিকুল ও মামুন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে
আহতদের পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে রফিকুলের অবস্থার
অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় নেয়ার পথে রোববার ভোরে তিনি মারা যান।
পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাসেল আলী মাসুদ দাবি করেন, নিহতরা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মী ছিলেন। তবে আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান বলেন, তারা আওয়ামী লীগের কেউ নয়। এলাকায় নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াত।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা)
এস এম মোস্তাইন হোসেন সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত
করে জানান, তিনজনই চরমপন্থী সংগঠন ‘বাহিনী’র সদস্য ছিল বলে পুলিশ
প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।
নিহতদের বিরুদ্ধে ওই এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
এ দিকে, সকাল থেকে এলাকাবাসী এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের পুষ্পপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রেখেছে এবং দফায় দফায় বিক্ষোভ করছে।
যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।





