আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ৫০
হাজার ৫০৬ কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
দেশের ইতিহাসে এবারের বাজেটই হবে সবচেয়ে চেয়ে পরিসরের বাজেট। চলতি ২০১৩-১৪
অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল দুই লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ থাকছে ৮৬ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা।
আর অনুন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ২১৩ কোটি টাকা।
ঘাটতি ৬৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা।
বাজেটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা
৭ দশমিক ৩ শতাংশ ধরে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও
বেসরকারি বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নতির ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনার পরিমাণ নির্ধারণ করে হয়েছে ১৬ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে সবচেয়ে বেশি ৯ হাজার
কোটি টাকা ভর্তুকি ও প্রণোদনা রাখা হয়েছে কৃষি খাতে। এছাড়া, জনপ্রশাসন খাতে
৫ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৮৪২ কোটি টাকা,
জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ৬১০ কোটি টাকা এবং প্রতিরক্ষা খাতে ৩৫৪ কোটি
টাকা ভর্তুকি ও প্রণোদনা রাখা হয়েছে।
আজ বেলা ৩টা ৩১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার সাথে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সংসদ অধিবেশন কক্ষে
প্রবেশ করেন। প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির উপস্থিতিতে স্পিকার ড. শিরীন
শারমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীর ৩টা ৩৭ মিনিটে তার
সূচনা বক্তব্য দিয়ে বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন।
৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয়
মেয়াদে ক্ষমতায় আসা এ সরকারের প্রথম বাজেট, তাই জনপ্রত্যাশা মেটানোর বাড়তি
চাপের কথা মাথায় রেখে বেশ বড় কলেবরের বাজেটই তৈরি করেছেন অর্থমন্ত্রী। এ
নিয়ে অষ্টমবারের মতো জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করছেন আব্দুল মুহিত।
(রেডিও তেহরান)





