আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক: আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক সম্ভবত বিশ শতকের সবচেয়ে বিখ্যাত মানব অঙ্গ। আইনস্টাইনের মস্তিষ্ককে জিনিয়াস শব্দটির সমার্থক ধরা হয় এবং তার মস্তিষ্ক নিউরোসায়েন্টিস্টদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। আইনস্টাইনের মৃত্যুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তার মস্তিষ্কটি দেহ থেকে আলাদা করে নেয়া হয়। প্রাথমিক গবেষণায় আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মস্তিষ্কের বেশকিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক গবেষণার পরপরই মস্তিষ্কটি হারিয়ে যায়। মস্তিষ্কের বেশকিছু টুকরো পরবর্তী সময়ে গবেষকদের গবেষণার জন্য দেয়া হলেও এর মূল অংশটি রয়ে যায় সেই চিকিৎসকের কাছে, যিনি আইনস্টাইনের শরীর থেকে এটি আলাদা করেছিলেন। আইনস্টাইনের মস্তিষ্কের এই ভ্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম তৈরি হয়েছে। আইনস্টাইন যেন বর্তমান যুগের সে রকমই কোনো এক সাধু-সন্ত।
গ্যালিলিওর আঙ্গুল: ‘পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে’-এই বিশ্বাসটি পরিত্যাগ না করায় গ্যালিলিওকে ভোগ করতে হয়েছিল অনেক কষ্ট। শাস্তি হিসেবে চার্চ কর্তৃক তাকে গৃহবন্দিও করে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুর পর তাকে সমাহিত করা হয়েছিল একটি সাধারণ সমাধিতে। পরবর্তী প্রজন্ম যখন তার গুরুত্ব অনুধাবন করে তখন তার মরদেহ একটি অভিজাত, জাঁকালো সমাধিতে স্থানান্তর করা হয়। মরদেহ স্থানান্তরের সময় তার অনুসারীরা গ্যালিলিওর ডান হাতের মাঝের আঙ্গুলটি রেখে দেন স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে। ফ্লোরেন্সে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্স’-এ আঙ্গুলটি এখন সংরক্ষিত আছে। গ্যালিলিও’র এই সংরক্ষিত আঙ্গুল চার্চ কর্তৃপক্ষের ভুলের প্রতীকী প্রতিবাদ বলে অনেকে মনে করেন। যদিও পরবর্তী সময়ে চার্চ কর্তৃপক্ষ তাদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে, হ রেহ্নুমা তারান্নুম।
ক্রমওয়েলের মাথা: আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যদি জীবিত না থাকে তবে সেই ব্যক্তির মরদেহ বিচারের জন্য আদালতে হাজির করার নিয়ম ছিল এক সময়। রাজা দ্বিতীয় চার্লসের রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর অলিভার ক্রমওয়েলের মৃতদেহ তোলা হয় এবং দ্বিতীয় চার্লসের পূর্বপুরুষ ও পিতা প্রথম চার্লসের মৃত্যু পরোয়ানায় দস্তখত করার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাস্তি হিসেবে ক্রমওয়েলের মৃতদেহ জনসমক্ষে ঝুলিয়ে মাথাটি কেটে নেয়া হয় এবং সেই কর্তিত মাথা ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। এই কর্তিত মস্তকে নিয়ম করে আলকাতরা মাখা হতো, যাতে এটি দীর্ঘদিন প্রদর্শন করা যায় এবং দেখানো যায় যে, ক্রমওয়েলের কী শাস্তি হয়েছিল। একবার ঝড়ে মাথাটি স্থানচ্যুত হলে এক প্রহরী এটি চুরি করে নেয়।
বেন্থামের মাথা: জেরেমি বেন্থামের উইল অনুযায়ী তার মৃতদেহ অ্যানাটমি ক্লাসে ব্যবচ্ছেদের জন্য দান করা হয়। পরবর্তী সময় তার কঙ্কাল ও মাথাটি ‘অটো আইকন’ নামে একটি কাঠের ক্যাবিনেটে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে স্থাপিত অটো আইকনে সংরক্ষিত বেন্থামের কঙ্কালটিকে পরিয়ে রাখা হয় বেন্থামেরই পোশাক। বেন্থামের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর তার শারীরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অটো আইকনে তার মমিকৃত মাথাটি রাখা হবে।
গ্যালিলিওর আঙ্গুল: ‘পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে’-এই বিশ্বাসটি পরিত্যাগ না করায় গ্যালিলিওকে ভোগ করতে হয়েছিল অনেক কষ্ট। শাস্তি হিসেবে চার্চ কর্তৃক তাকে গৃহবন্দিও করে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুর পর তাকে সমাহিত করা হয়েছিল একটি সাধারণ সমাধিতে। পরবর্তী প্রজন্ম যখন তার গুরুত্ব অনুধাবন করে তখন তার মরদেহ একটি অভিজাত, জাঁকালো সমাধিতে স্থানান্তর করা হয়। মরদেহ স্থানান্তরের সময় তার অনুসারীরা গ্যালিলিওর ডান হাতের মাঝের আঙ্গুলটি রেখে দেন স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে। ফ্লোরেন্সে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্স’-এ আঙ্গুলটি এখন সংরক্ষিত আছে। গ্যালিলিও’র এই সংরক্ষিত আঙ্গুল চার্চ কর্তৃপক্ষের ভুলের প্রতীকী প্রতিবাদ বলে অনেকে মনে করেন। যদিও পরবর্তী সময়ে চার্চ কর্তৃপক্ষ তাদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে, হ রেহ্নুমা তারান্নুম।
ক্রমওয়েলের মাথা: আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যদি জীবিত না থাকে তবে সেই ব্যক্তির মরদেহ বিচারের জন্য আদালতে হাজির করার নিয়ম ছিল এক সময়। রাজা দ্বিতীয় চার্লসের রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর অলিভার ক্রমওয়েলের মৃতদেহ তোলা হয় এবং দ্বিতীয় চার্লসের পূর্বপুরুষ ও পিতা প্রথম চার্লসের মৃত্যু পরোয়ানায় দস্তখত করার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাস্তি হিসেবে ক্রমওয়েলের মৃতদেহ জনসমক্ষে ঝুলিয়ে মাথাটি কেটে নেয়া হয় এবং সেই কর্তিত মাথা ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। এই কর্তিত মস্তকে নিয়ম করে আলকাতরা মাখা হতো, যাতে এটি দীর্ঘদিন প্রদর্শন করা যায় এবং দেখানো যায় যে, ক্রমওয়েলের কী শাস্তি হয়েছিল। একবার ঝড়ে মাথাটি স্থানচ্যুত হলে এক প্রহরী এটি চুরি করে নেয়।
বেন্থামের মাথা: জেরেমি বেন্থামের উইল অনুযায়ী তার মৃতদেহ অ্যানাটমি ক্লাসে ব্যবচ্ছেদের জন্য দান করা হয়। পরবর্তী সময় তার কঙ্কাল ও মাথাটি ‘অটো আইকন’ নামে একটি কাঠের ক্যাবিনেটে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে স্থাপিত অটো আইকনে সংরক্ষিত বেন্থামের কঙ্কালটিকে পরিয়ে রাখা হয় বেন্থামেরই পোশাক। বেন্থামের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর তার শারীরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অটো আইকনে তার মমিকৃত মাথাটি রাখা হবে।





