ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, আমি তার বক্তব্যে বিব্রত হয়েছি। তিনি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন তাতে তিনি নিজেই নিজেকে বিব্রত করেছেন। সরকারের অনুমোদনের বাইরে টিআইবি কোনো অর্থ গ্রহণ করতে পারে না, ব্যয়ও করতে পারে না। আমাদের কোনো মুখোশ নেই, মুখ আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল : বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর টিআইবিকে নিয়ে করা মন্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে গত বুধবার দুদকের একটি অনুষ্ঠানে কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, দুদকের কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী টিআইবির মুখোশ খুলে দেয়া হবে। অচিরেই টিআইবির কার্যকলাপের কথা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। তারা বিদেশি টাকা দিয়ে এ দেশে কী কাজ করেন, তাও তুলে ধরা হবে।
এ বক্তব্যের সমালোচনা করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদেশিদের টাকায় টিআইবি চলে এটা সবাই জানে। এটা নতুন করে বলার কিছু নেই। যেসব প্রতিষ্ঠান বিদেশিদের টাকায় চলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেয়ার জন্য আপনারা সরকারকে বলুন।
তিনি বলেন, টিআইবি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহায়ক শক্তি। দুদক শক্তিশালী হোক এটাই টিআইবি চায়। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি পেলে দেরি কেন, আজই মামলা করুন! সমালোচনা করার কারণে যদি টিআইবিকে হেনস্তা করা হয় তবে তা হবে অন্যায়। তথ্য অধিকার আইনে কারো সমালোচনা করা অন্যায় নয়। উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছু করার ক্ষমতা দুদক বা সরকারের নেই। বাংলাদেশে দুদক প্রতিষ্ঠার পেছনে টিআইবির অবদান কম নয়। দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন করার জন্য আমরাও কাজ করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন পাঠ করেন টিআইবি রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের শাম্মী লায়লা ইসলাম ও সাধন কুমার দাস। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান এবং উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের।
প্রতিবেদনে ১০টি রাষ্ট্রীয় ও ৬টি অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে গবেষণা করা হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, জাতীয় সংসদ, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, সরকারি কর্মকমিশন, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ন্যায়পাল, দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় সরকার এবং অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- রাজনৈতিক দল, বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও সুশীল সমাজ, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যম। টিআইবির গবেষণায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পদ্ধতির অনেকাংশে ঘাটতি রয়েছে। এগুলো মোকাবিলায় টিআইবি ১০ দফা সুপারিশ উপস্থাপন করেছে।
এগুলো হচ্ছে- সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার, যেসব প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা কমিটি ও শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত এবং ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারিত হয়নি তা দ্রুত সম্পন্নকরণ, আর্থিক বরাদ্দ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন প্রণয়নের বিধান রেখে নৈতিকতা কমিটির কার্যক্রমকে প্রশাসনিক কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা, জাতীয় সততা ব্যবস্থার সব স্তম্ভ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে যেমন- তথ্য কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং রাজস্ব বোর্ডকে কৌশলপত্রে অন্তর্ভুক্তকরণ, রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনায় শুদ্ধাচারের প্রধান সূচক এবং দুর্নীতি রোধের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিকে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং সব অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদ্ধতি চূড়ান্তকরণ।
এর আগে গত বুধবার দুদকের একটি অনুষ্ঠানে কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, দুদকের কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী টিআইবির মুখোশ খুলে দেয়া হবে। অচিরেই টিআইবির কার্যকলাপের কথা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। তারা বিদেশি টাকা দিয়ে এ দেশে কী কাজ করেন, তাও তুলে ধরা হবে।
এ বক্তব্যের সমালোচনা করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদেশিদের টাকায় টিআইবি চলে এটা সবাই জানে। এটা নতুন করে বলার কিছু নেই। যেসব প্রতিষ্ঠান বিদেশিদের টাকায় চলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেয়ার জন্য আপনারা সরকারকে বলুন।
তিনি বলেন, টিআইবি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহায়ক শক্তি। দুদক শক্তিশালী হোক এটাই টিআইবি চায়। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি পেলে দেরি কেন, আজই মামলা করুন! সমালোচনা করার কারণে যদি টিআইবিকে হেনস্তা করা হয় তবে তা হবে অন্যায়। তথ্য অধিকার আইনে কারো সমালোচনা করা অন্যায় নয়। উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছু করার ক্ষমতা দুদক বা সরকারের নেই। বাংলাদেশে দুদক প্রতিষ্ঠার পেছনে টিআইবির অবদান কম নয়। দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন করার জন্য আমরাও কাজ করেছি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন পাঠ করেন টিআইবি রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের শাম্মী লায়লা ইসলাম ও সাধন কুমার দাস। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান এবং উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের।
প্রতিবেদনে ১০টি রাষ্ট্রীয় ও ৬টি অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে গবেষণা করা হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, জাতীয় সংসদ, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, সরকারি কর্মকমিশন, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ন্যায়পাল, দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় সরকার এবং অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- রাজনৈতিক দল, বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও সুশীল সমাজ, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যম। টিআইবির গবেষণায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পদ্ধতির অনেকাংশে ঘাটতি রয়েছে। এগুলো মোকাবিলায় টিআইবি ১০ দফা সুপারিশ উপস্থাপন করেছে।
এগুলো হচ্ছে- সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার, যেসব প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা কমিটি ও শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত এবং ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারিত হয়নি তা দ্রুত সম্পন্নকরণ, আর্থিক বরাদ্দ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন প্রণয়নের বিধান রেখে নৈতিকতা কমিটির কার্যক্রমকে প্রশাসনিক কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা, জাতীয় সততা ব্যবস্থার সব স্তম্ভ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে যেমন- তথ্য কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং রাজস্ব বোর্ডকে কৌশলপত্রে অন্তর্ভুক্তকরণ, রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনায় শুদ্ধাচারের প্রধান সূচক এবং দুর্নীতি রোধের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিকে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং সব অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদ্ধতি চূড়ান্তকরণ।





