![]() |
| জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে শিশু শায়মা (ফাইল ছবি) |
শহীদ মায়ের নামে এ মেয়ের নাম রাখা হয়েছিল শায়মা। অপরিপক্ব শিশু শায়মাকে বাঁচিয়ে রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করেন ইহুদিবাদী আগ্রাসনে সব অবকাঠামো নাস্তানাবুদ হয়ে যাওয়া জনপদ, অবরুদ্ধ গাজার সাহসী চিকিৎসকরা। অপরিপক্ব শিশুকে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেই বাঁচিয়ে রাখতে ব্যাপক আয়োজনের দরকার পড়ে। ইহুদিবাদী আগ্রাসনে অবকাঠামো ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজায় সে ধরণের সহায়তা কতোটা জুটেছিল শায়মার বরাতে তা সহজেই অনুমান করা যায়। কিন্তু তারপরও হাল ছাড়েন নি চিকিৎসকদের দল। কিন্তু তিন দিনের মাথায় গতকাল মঙ্গলবার শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মায়ের কাছে চলে যায় শায়মা।
হামাসের সাহসী যোদ্ধাদের সঙ্গে পেরে উঠতে না পারলেও গাজাকে এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে আমেরিকাসহ পশ্চিমা ও কতিপয় আরব দেশের সমর্থনে বেড়ে ওঠা দানব ইহুদিবাদী ইসরাইল। অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজার নিরপরাধ নারী ও শিশুদের ওপর নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধে সুবিধা করতে না পেরে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের রক্তে হোলি খেলায় মেতে উঠেছে মানবতার শত্রু ইসরাইল।
গত ৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ইহুদিবাদী আগ্রাসনের এ পর্যন্ত ১,২৬২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং হাজার হাজার জন আহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন। হতাহতদের এ তালিকার শীর্ষে রয়েছে হতভাগ্য ফিলিস্তিনি শিশুদের দল।
অবশ্য তিন সপ্তাহের এ আগ্রাসনে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে ইসরাইলি বাহিনীকে। আবাল-বৃদ্ধ-বণিতাসহ নিরীহ ফিলিস্তিনি মানুষ মারছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা কেবল বেছে বেছে ইহুদিবাদী পশু সেনাদের হত্যা করছে। ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের হামলায় এ পর্যন্ত ৫৩ জন সেনা নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তেল আবিব।
সুত্র : রেডিও তেহরান





